ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সামনে দুটি পথ খোলা আছে : আইআরজিসি

ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে ভালো কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) রাজনৈতিকবিষয়ক উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি। তার ভাষায়, ট্রাম্পকে এখন খারাপ অথবা আরও খারাপ; এই দুই পথের একটিকে বেছে নিতে হবে। শনিবার (৩০ মে) এক বক্তব্যে জাভানি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের ফলাফল এখন স্পষ্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রকে হয় ইরানি জাতির অধিকার ও বাস্তবতা মেনে নিতে হবে, নয়তো আগ্রাসনের পথেই এগোতে হবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কৌশলগত ভুল করেছে। তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা উৎখাত করা। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনে তারা ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জাভানি আরও বলেন, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি ইরানের পক্ষে পরিবর্তিত হয়েছে এবং দেশটি এখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, অচলাবস্থা নিরসনে ইরান ইতোমধ্যে নিজেদের শর্ত ঘোষণা করেছে এবং এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সামনে দুটি পথ খোলা আছে : আইআরজিসি
ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে ভালো কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) রাজনৈতিকবিষয়ক উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি। তার ভাষায়, ট্রাম্পকে এখন খারাপ অথবা আরও খারাপ; এই দুই পথের একটিকে বেছে নিতে হবে। শনিবার (৩০ মে) এক বক্তব্যে জাভানি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের ফলাফল এখন স্পষ্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রকে হয় ইরানি জাতির অধিকার ও বাস্তবতা মেনে নিতে হবে, নয়তো আগ্রাসনের পথেই এগোতে হবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কৌশলগত ভুল করেছে। তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা উৎখাত করা। তবে সেই লক্ষ্য অর্জনে তারা ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জাভানি আরও বলেন, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি ইরানের পক্ষে পরিবর্তিত হয়েছে এবং দেশটি এখন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, অচলাবস্থা নিরসনে ইরান ইতোমধ্যে নিজেদের শর্ত ঘোষণা করেছে এবং এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে আইআরজিসির এই কমান্ডার বলেন, সশস্ত্র বাহিনী এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে এ বিষয়ে ঐকমত্য রয়েছে যে, ইরানি জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে; তা আলোচনার মাধ্যমে হোক কিংবা অন্য কোনো উপায়ে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রতিপক্ষ যদি আবারও ভুল হিসাব করে, তাহলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আরও শক্তিশালী ও কঠোর জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে। সূত্র : প্রেস টিভি 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow