‘ইরান যুদ্ধে ইসরায়েল ইতোমধ্যে বিজয়ী হয়েছে’
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইসরায়েল ইতোমধ্যে বিজয় অর্জন করে ফেলেছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার। তবে যে লক্ষ্য নিয়ে এই যুদ্ধে নেমেছিল ইসরায়েল, তা এখনও পূরণ হয়নি বলেও স্বীকার করেছেন তিনি। খবর এএফপির। গতকাল রাজধানী জেরুজালেমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গিদেওন সার বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইতোমধ্যে আমরা বিজয় পেয়েছি। ইরান নাটকীয়ভাবে দুর্বল হয়েছে এবং এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে যেমন ছিল সেই অবস্থায় আর ফিরতে পারবে না দেশটি। তিনি আরও বলেন, তবে যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা যুদ্ধ শুরু করেছিলাম, তা এখনও অর্জিত হয়নি। ইরানের ক্ষমতাশীন সরকার আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি এবং আমরা সেই হুমকি সমূলে উপড়ে ফেলতে চাই। এখনও এটি ঘটেনি। আমাদের অবশ্যই ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে এবং মিশন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ করতে হবে। ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো ধরনের সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ। তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইসরায়েল ইতোমধ্যে বিজয় অর্জন করে ফেলেছে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার। তবে যে লক্ষ্য নিয়ে এই যুদ্ধে নেমেছিল ইসরায়েল, তা এখনও পূরণ হয়নি বলেও স্বীকার করেছেন তিনি। খবর এএফপির।
গতকাল রাজধানী জেরুজালেমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গিদেওন সার বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইতোমধ্যে আমরা বিজয় পেয়েছি। ইরান নাটকীয়ভাবে দুর্বল হয়েছে এবং এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে যেমন ছিল সেই অবস্থায় আর ফিরতে পারবে না দেশটি।
তিনি আরও বলেন, তবে যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা যুদ্ধ শুরু করেছিলাম, তা এখনও অর্জিত হয়নি। ইরানের ক্ষমতাশীন সরকার আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকি এবং আমরা সেই হুমকি সমূলে উপড়ে ফেলতে চাই। এখনও এটি ঘটেনি। আমাদের অবশ্যই ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে এবং মিশন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত যুদ্ধ করতে হবে।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো ধরনের সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
হামলায় ইতোমধ্যে নিহত হয়েছেন ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি, সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানের বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ইতেমধ্যে ইরানে নিহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি মানুষ।
তবে এত ক্ষয়ক্ষতির পরও সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনো চলছে।
What's Your Reaction?