ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৯ বিলিয়ন
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। বুধবার (১৩ মে) সিএনএন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন এই ব্যয়ের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম মেরামত ও প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার খরচও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আগের ২৫ বিলিয়ন ডলারের হিসাব ছিল অসম্পূর্ণ। এতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি মেরামতের ব্যয় ধরা হয়নি। এদিকে হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের জননীতি বিশেষজ্ঞ লিন্ডা বিলমেসের মতে, ইরানের সঙ্গে এ যুদ্ধের ব্যয় শেষ পর্যন্ত ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে যার বোঝা বহন করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের। এপ্রিল মাসে প্রকাশিত এক অনলাইন বিশ্লেষণে বিলমেস যুদ্ধের ব্যয়কে স্বল্পমেয়াদি ও মধ্য-দীর্ঘমেয়াদি দুই ভাগে ভাগ করেন। স্বল্পমেয়াদি ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র, বোমা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহারের খরচ। দুই থেকে তিনটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পরিচালনা, সেনা সদস্যদের রক্ষণাবেক্ষণ ও যুদ্ধভাতা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমান ও ড্র
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।
বুধবার (১৩ মে) সিএনএন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন এই ব্যয়ের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম মেরামত ও প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার খরচও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আগের ২৫ বিলিয়ন ডলারের হিসাব ছিল অসম্পূর্ণ। এতে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি মেরামতের ব্যয় ধরা হয়নি।
এদিকে হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের জননীতি বিশেষজ্ঞ লিন্ডা বিলমেসের মতে, ইরানের সঙ্গে এ যুদ্ধের ব্যয় শেষ পর্যন্ত ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে যার বোঝা বহন করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের।
এপ্রিল মাসে প্রকাশিত এক অনলাইন বিশ্লেষণে বিলমেস যুদ্ধের ব্যয়কে স্বল্পমেয়াদি ও মধ্য-দীর্ঘমেয়াদি দুই ভাগে ভাগ করেন।
স্বল্পমেয়াদি ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র, বোমা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহারের খরচ। দুই থেকে তিনটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পরিচালনা, সেনা সদস্যদের রক্ষণাবেক্ষণ ও যুদ্ধভাতা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের ক্ষতি।
অন্যদিকে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরে সামরিক স্থাপনা পুনর্গঠন, আরও উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র সংগ্রহ এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা ৫৫ হাজার মার্কিন সেনার চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব পড়ছে। মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে। এছাড়া বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন জ্বালানির দাম ৫ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
What's Your Reaction?