ইলিয়াস মোল্লাহর ১৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, ফ্ল্যাট-জমি ও গাড়ি জব্দ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় ঢাকা-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহর নামে থাকা ১৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার মালিকানাধীন ৩১টি দলিলে থাকা ফ্ল্যাট ও জমি এবং একটি গাড়ি জব্দ করার আদেশও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জব্দ  ফ্ল্যাট ও জমিগুলো রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় অবস্থিত। দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাবেক এমপি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহর বিরুদ্ধে ১৪ কোটি ৮ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে ১৭৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আবেদনে আরও বলা হয়, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহর অর্জিত সব সম্পদ এখনো সম্পূর্ণভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্ত চলাকালে তার এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে যেসব স্থাবর ও অস্থ

ইলিয়াস মোল্লাহর ১৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, ফ্ল্যাট-জমি ও গাড়ি জব্দ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় ঢাকা-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহর নামে থাকা ১৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার মালিকানাধীন ৩১টি দলিলে থাকা ফ্ল্যাট ও জমি এবং একটি গাড়ি জব্দ করার আদেশও দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জব্দ  ফ্ল্যাট ও জমিগুলো রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় অবস্থিত।

দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সাবেক এমপি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহর বিরুদ্ধে ১৪ কোটি ৮ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবগুলো ব্যবহার করে ১৭৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহর অর্জিত সব সম্পদ এখনো সম্পূর্ণভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্ত চলাকালে তার এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে যেসব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে, সেগুলো যাতে তিনি বিক্রি, হস্তান্তর বা স্থানান্তর করতে না পারেন, সে জন্য জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এই প্রেক্ষাপটে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা-২০০৭-এর ১৮ বিধি এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর ১৪ ধারার আলোকে স্থাবর সম্পদ ক্রোক এবং অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করার আবেদন জানায় দুদক। আদালত ওই আবেদনের ভিত্তিতেই আজ এই আদেশ দেন।

এমডিএএ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow