ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গভর্নরের নতুন বার্তা

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে চলমান নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত অনুমাননির্ভর আলোচনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ২০২৬ সালের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। গভর্নর বলেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অতিরিক্ত ‘স্পেকুলেশন’ হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে ধৈর্য ধরার এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় আলোচনা এ মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। ব্যাংক খাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন ব্যাংকে ১৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকা লিকুইডিটি সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। আর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সেই সহায়তা বেড়ে ৫১ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চার মাস কোনো ব্যাংককে তারল্য সহায়তা দিতে হয়নি, যা ইতিবাচক সংকেত। তবে ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্র

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে গভর্নরের নতুন বার্তা

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে চলমান নানা জল্পনা-কল্পনা ও গুঞ্জন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অতিরিক্ত অনুমাননির্ভর আলোচনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ২০২৬ সালের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

গভর্নর বলেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে অতিরিক্ত ‘স্পেকুলেশন’ হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে ধৈর্য ধরার এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয় আলোচনা এ মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে।

ব্যাংক খাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন ব্যাংকে ১৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকা লিকুইডিটি সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। আর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সেই সহায়তা বেড়ে ৫১ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চার মাস কোনো ব্যাংককে তারল্য সহায়তা দিতে হয়নি, যা ইতিবাচক সংকেত। তবে ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দিতে হয়েছে। গভর্নর আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে সব সিদ্ধান্তই আইন অনুযায়ী নেওয়া হবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইসলামী ব্যাংক একটি ব্যাংকিং কোম্পানি এবং এটি ব্যাংক কোম্পানি আইন দ্বারা পরিচালিত। তাই আইনের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীসহ আর্থিক খাতের বিভিন্ন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow