ঈদেও সচল ছিল চট্টগ্রাম বন্দর, ৭ দিনে ২৫ লাখ টন কার্গো হ্যান্ডলিং
ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতেও কার্যক্রম চলেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে পণ্য খালাস ও জাহাজীকরণ নিরবচ্ছিন্ন রাখার দাবি বন্দর কর্তৃপক্ষের। ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটিতে ৭ দিনে প্রায় ২৫ লাখ কার্গো এবং প্রায় ৫৫ হাজারের কাছাকাছি কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দর তার অপারেশনাল সক্ষমতা বজায় রেখেছে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে পণ্য খালাস ও জাহাজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ঈদের আগে থেকে গৃহীত নানামুখী সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ সফলতা এসেছে। তিনি জানান, রমজান ও ঈদ ছুটিকালীন সময়ে জ্বালানি তেলের সাপ্লাই চেইন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং তদারকির করার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি সাইড এবং বর্হিনোঙ্গরে পণ্য খালাস তদারকি ও পর্যবেক্ষণ নিবিড়ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের সংকটকালীন সময়ে অগ্রাধিকার বার্থিং এবং নেভিগেশনাল সাপোর্টের মাধ
ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতেও কার্যক্রম চলেছে চট্টগ্রাম বন্দরে। আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে পণ্য খালাস ও জাহাজীকরণ নিরবচ্ছিন্ন রাখার দাবি বন্দর কর্তৃপক্ষের। ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটিতে ৭ দিনে প্রায় ২৫ লাখ কার্গো এবং প্রায় ৫৫ হাজারের কাছাকাছি কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের ছুটির মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দর তার অপারেশনাল সক্ষমতা বজায় রেখেছে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে পণ্য খালাস ও জাহাজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ঈদের আগে থেকে গৃহীত নানামুখী সিদ্ধান্ত সঠিকভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ সফলতা এসেছে।
তিনি জানান, রমজান ও ঈদ ছুটিকালীন সময়ে জ্বালানি তেলের সাপ্লাই চেইন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং তদারকির করার জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। এ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটি সাইড এবং বর্হিনোঙ্গরে পণ্য খালাস তদারকি ও পর্যবেক্ষণ নিবিড়ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের সংকটকালীন সময়ে অগ্রাধিকার বার্থিং এবং নেভিগেশনাল সাপোর্টের মাধ্যমে সবার সঙ্গে সমন্বয় করে চট্টগ্রাম বন্দর সংকট উত্তোরণে ভূমিকা রেখেছে।
বন্দরের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাত দিনে বন্দরে ২৫ লাখ ৮ হাজার ৬১৪ মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি করা পণ্য ছিল ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৬ মেট্রিক টন এবং রপ্তানি হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮২৮ মেট্রিক টন। ১৮ মার্চ একদিনে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৪ মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে।
অন্যদিকে একই সময়ে মোট ৫৪ হাজার ৮৯৮টিইইউ’স (২০ বর্গফুট একক) কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি করা কনটেইনার ছিল ২৮ হাজার ৯৬১ টিইইউ’স এবং রপ্তানি কনটেইনার ছিল ২৫ হাজার ৯৩৭ টিইইউ’স। ১৮ মার্চ সর্বোচ্চ ১১ হাজার ৮৬১ টিইইউ’স কনটেইনার প্রসেস হয়েছে। ওই সময়ে মোট ৬৪টি জাহাজ বন্দরে বার্থিং ও হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। ১৯ মার্চ সর্বোচ্চ ১৪টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হয়। ২৩ মার্চ পুনরায় ১২টি জাহাজ হ্যান্ডলিং করা হয়।
ওয়েটিং টাইম কমানো
চট্টগ্রাম বন্দরে সাম্প্রতিক সময়ে কর্মবিরতি ও জাহাজের আগমনের হার বৃদ্ধির ফলে জাহাজের ওয়েটিং টাইম দুই বা তিন দিনে উন্নীত হয়। তবে বর্তমানে কর্তৃপক্ষের সার্বিক মনিটরিং এবং সমন্বয়ের ফলে আউটার অ্যাঙ্করেজে জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় পুনরায় ‘জিরো’ দিন অর্জন করা সম্ভব হয়েছে, যা বন্দরের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে এই জিরো ওয়েটিং টাইম বজায় রেখে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।
২৪ মার্চের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরের ৪৩ হাজার ২০০ টিইইউ’স কনটেইনার ছিল। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ২৫৩ টিইইউ’স এফসিএল কনটেইনার, ২ হাজার ৬৫৪ টিইইউ’স ডিপো কনটেইনার এবং ১ হাজার ৬৫২ টিইইউ’স খালি কনটেইনার রয়েছে।
এমডিআইএইচ/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?