ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় দুপক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) রাতে উপজেলার পাথারিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে একটি রেস্তোরাঁ, একটি দোকান, একটি মিনি মার্কেট ও তিনটি মোটরসাইকেলে ভাঙচুর চালানো হয়। একই সঙ্গে লুটপাটের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে গাজীনগর গ্রামের মনির মিয়া ও আঙ্গুর মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য রাত ৯টার দিকে উভয়পক্ষকে নিয়ে সালিশ বৈঠক বসে। অভিযোগ রয়েছে, সালিশ চলাকালেই মনির মিয়ার লোকজন আঙ্গুর মিয়ার মার্কেটে হামলা চালায়। এ সময় দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাট শুরু হয়। পরে আঙ্গুর মিয়ার সমর্থকরা ঘটনাস্থলে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে, পরে ভোরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় দুপক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (২২ মার্চ) রাতে উপজেলার পাথারিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে একটি রেস্তোরাঁ, একটি দোকান, একটি মিনি মার্কেট ও তিনটি মোটরসাইকেলে ভাঙচুর চালানো হয়। একই সঙ্গে লুটপাটের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে গাজীনগর গ্রামের মনির মিয়া ও আঙ্গুর মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য রাত ৯টার দিকে উভয়পক্ষকে নিয়ে সালিশ বৈঠক বসে।
অভিযোগ রয়েছে, সালিশ চলাকালেই মনির মিয়ার লোকজন আঙ্গুর মিয়ার মার্কেটে হামলা চালায়। এ সময় দোকানপাটে ভাঙচুর ও লুটপাট শুরু হয়। পরে আঙ্গুর মিয়ার সমর্থকরা ঘটনাস্থলে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করে, পরে ভোরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আঙ্গুর মিয়া বলেন, ‘একটি অজ্ঞাত ফেসবুক আইডির স্ট্যাটাস নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সালিশ বৈঠকে বসার সুযোগে পরিকল্পিতভাবে আমার মার্কেটে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। এ সময় বারাকাত রেস্টুরেন্ট ও রেহান স্টোরে হামলা চালিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা লুট করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় আমাদের পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত আতাউর (২৯), জাবেদ (২০) ও ইউনুস (২৪) সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’
অন্যদিকে মনির মিয়া অভিযোগ করেন, ‘ফেসবুকে তাদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার পর আঙ্গুর মিয়ার পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে তাদের পক্ষের মোহাম্মদ আলি (৪৫), লিল মিয়া (৪০) ও মাহবুব আলি (১৮) গুরুতর আহত হন। মোহাম্মদ আলিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অন্যদের দিরাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
শান্তিগঞ্জ থানার ওসি মো. ওলিউল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। সেনাবাহিনী ৭ জনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে। তবে সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
What's Your Reaction?