ঈদের কেনাকাটা করতে যাওয়ার পথে ৪ সন্তানের জননীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরী আমেনাকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন পার হতে না হতেই চার সন্তানের এক জননী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় মাধবদী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে হৃদয় নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চার সন্তানের জননী ওই নারী ঈদের কেনাকাটা করতে বহস্পতিবার (৫ মার্চ) মাধবদী বাজারে গিয়েছিলেন। কেনাকাটা শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে চৌরাসাঁতার মোড়ে হৃদয় তার গতিরোধ করেন। ওইসময় হৃদয় তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশ্ববর্তী একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই আরও তিনজন অপেক্ষায় ছিলেন। পরে সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগে দেন ভুক্তভোগী নারী। তার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় হৃদয়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অপরাধ

ঈদের কেনাকাটা করতে যাওয়ার পথে ৪ সন্তানের জননীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরী আমেনাকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন পার হতে না হতেই চার সন্তানের এক জননী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় মাধবদী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে হৃদয় নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চার সন্তানের জননী ওই নারী ঈদের কেনাকাটা করতে বহস্পতিবার (৫ মার্চ) মাধবদী বাজারে গিয়েছিলেন। কেনাকাটা শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে চৌরাসাঁতার মোড়ে হৃদয় তার গতিরোধ করেন। ওইসময় হৃদয় তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাশ্ববর্তী একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই আরও তিনজন অপেক্ষায় ছিলেন। পরে সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।

এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে মাধবদী থানায় লিখিত অভিযোগে দেন ভুক্তভোগী নারী। তার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় হৃদয়কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে।

সঞ্জিত সাহা/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow