উদ্বোধনের আগেই ৫৩ লাখ টাকার ভবনে ফাটল
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাবলিক লাইব্রেরি ভবনে উদ্বোধনের আগেই বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। ভবনটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর বা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এর মধ্যেই দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে নির্মিত এই লাইব্রেরি ভবনটি এলাকাবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হলেও নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই এর গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনের একাধিক স্থানে দৃশ্যমান ফাটল রয়েছে। কোথাও কোথাও সিমেন্ট দিয়ে ফাটল ঢাকার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং কাজের তদারকির অভাবের কারণেই এমন ত্রুটি দেখা দিয়েছে। প্রকল্পের ঠিকাদার আবু তাহের ফাটলের বিষয়টি স্বীকার করলেও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ভবনের কিছু জায়গায় সামান্য সমস্যা হয়েছে। আমরা দ্রুত মেরামত করে দেব। তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একটি ন
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় ৫৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি পাবলিক লাইব্রেরি ভবনে উদ্বোধনের আগেই বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। ভবনটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর বা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এর মধ্যেই দেয়ালের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে নির্মিত এই লাইব্রেরি ভবনটি এলাকাবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হলেও নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই এর গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনের একাধিক স্থানে দৃশ্যমান ফাটল রয়েছে। কোথাও কোথাও সিমেন্ট দিয়ে ফাটল ঢাকার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং কাজের তদারকির অভাবের কারণেই এমন ত্রুটি দেখা দিয়েছে।
প্রকল্পের ঠিকাদার আবু তাহের ফাটলের বিষয়টি স্বীকার করলেও অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ভবনের কিছু জায়গায় সামান্য সমস্যা হয়েছে। আমরা দ্রুত মেরামত করে দেব।
তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন, একটি নতুন ভবনে হস্তান্তরের আগেই কেন এমন ফাটল দেখা দেবে? শুধুমাত্র মেরামতের মাধ্যমে ভবনের স্থায়িত্ব কতটুকু নিশ্চিত করা সম্ভব, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তারা।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে, কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে নেওয়ার আগেই ঠিকাদারকে পুরো বিল পরিশোধ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের আশঙ্কাকে আরও জোরাল করেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী হাসিনুর রশিদ ও নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে৷ আমরা সমাধান করে নেব৷
সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনায় উদ্বোধনের আগেই ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তারা বলছেন, দায়সারা সংস্কার নয়—এই ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
What's Your Reaction?