উন্নত রাষ্ট্র গঠনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : তথ্যমন্ত্রী
উন্নত রাষ্ট্র গঠনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সোমবার (৪ মে) দুপুর একটার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জাবিসাস) নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে যত বেশি দায়বদ্ধ থাকা যায়, জবাবদিহির মধ্যে থাকা যায়, ততই একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পথ চলা অনেক বেশি সঠিক ও পরিষ্কার হয়। আর এই জবাবদিহির প্রধান মাধ্যম হচ্ছে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম। একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা এবং এর মাধ্যমে একমাত্র উপকৃত হয় জনগণ। রাষ্ট্রের মালিকও কিন্তু জনগণ। গণমাধ্যমের পেশা চর্চা করার ক্ষেত্রে মানুষের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে এবং যুক্তির পক্ষে দাঁড়ানোর যে প্রতিশ্রুতি, তা বাদ দিলে তো আর গণমাধ্যম থাকে না। নীতিনিষ্ঠ এবং দেশপ্রেম নির্ভর এই পেশাকে তার মূল্যবোধের জায়গায় স্থির রাখতে চাইলে, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে এবং স
উন্নত রাষ্ট্র গঠনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
সোমবার (৪ মে) দুপুর একটার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জাবিসাস) নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে যত বেশি দায়বদ্ধ থাকা যায়, জবাবদিহির মধ্যে থাকা যায়, ততই একটি গণতান্ত্রিক সরকারের পথ চলা অনেক বেশি সঠিক ও পরিষ্কার হয়। আর এই জবাবদিহির প্রধান মাধ্যম হচ্ছে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম। একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা এবং এর মাধ্যমে একমাত্র উপকৃত হয় জনগণ। রাষ্ট্রের মালিকও কিন্তু জনগণ। গণমাধ্যমের পেশা চর্চা করার ক্ষেত্রে মানুষের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে এবং যুক্তির পক্ষে দাঁড়ানোর যে প্রতিশ্রুতি, তা বাদ দিলে তো আর গণমাধ্যম থাকে না। নীতিনিষ্ঠ এবং দেশপ্রেম নির্ভর এই পেশাকে তার মূল্যবোধের জায়গায় স্থির রাখতে চাইলে, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে এবং সেগুলোকে মোকাবিলা করতে হবে। আমি মনে করি, তরুণ সাংবাদিকদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা সৃজনশীলতা আরও অনেক বেশি ধারালো হবে এবং তোমরা নিষ্ঠার সাথে এই পেশার মান রক্ষা করবে।
গেস্ট অব অনারের বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, সাংবাদিকদের কাজ হলো-যারা অসুবিধায় আছে তাদের জন্য স্বস্তি তৈরি করা। আর যারা অন্যায়ভাবে সুবিধা ভোগ করে তাদের জন্য অস্বস্তি তৈরি করাই সংবাদ মাধ্যমের কাজ।
উপাচার্য আরও বলেন, আপনাদের দায়িত্ব হচ্ছে বিগত সরকার যেভাবে পালিয়ে গেছে আর যেন কেউ একই ভুল না করে আপনারা অভিভাবকের দায়িত্বটি পালন করবেন। সাংবাদিকদের ইতিবাচক সমালোচনা করার সৎ সাহস থাকতে হবে, তবে দয়া করে সমালোচনার ও কুৎসার মধ্যে পার্থক্যটা করতে জানতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক সমিতির সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি মেহেদী মামুন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সমিতির সদ্য বিদায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও নবনির্বাচিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজিব রায়হান। সমাপনী বক্তব্য দেন নবনির্বাচিত সভাপতি মাহ্ আলম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, জীববিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মাফরুহী সাত্তার, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রাশিদুল আলম, গণিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
What's Your Reaction?