ঋণগ্রস্ত ছিলেন রিকশাচালক শহিদ মিয়া, উদ্ধার হলো মরদেহ

রাজধানীর মুগদা থানাধীন উত্তরমাণ্ডা বড় পাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে শহিদ মিয়া (৪৫) নামে এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বজনরা জানান, ঋণগ্রস্ত হওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন শহিদ মিয়া। এ কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে শহিদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ। মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মোমেন জানান, খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোরের দিকে মুগদার উত্তরমাণ্ডা বড় পাড়ার ২০৩/২২ নম্বর বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় শহিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, আমরা পরিবারের লোকজনের মুখে জানতে পারি, শহিদ একজন অটোরিকশাচালক। ঋণগ্রস্ত হয়ে মানসিক সমস্যাজনিত কারণে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস দেন শহিদ। পরে স্বজনরা দেখতে পেয়ে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। শহিদ মিয়ার ছেলে সাজেদুল ইসলাম জানান, তার বাবা পেশায় একজন রিকশাচালক। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা ছিল এবং ঋণগ্রস্ত হওয়ায় দ

ঋণগ্রস্ত ছিলেন রিকশাচালক শহিদ মিয়া, উদ্ধার হলো মরদেহ

রাজধানীর মুগদা থানাধীন উত্তরমাণ্ডা বড় পাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে শহিদ মিয়া (৪৫) নামে এক রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্বজনরা জানান, ঋণগ্রস্ত হওয়ায় হতাশায় ভুগছিলেন শহিদ মিয়া। এ কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে শহিদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মোমেন জানান, খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোরের দিকে মুগদার উত্তরমাণ্ডা বড় পাড়ার ২০৩/২২ নম্বর বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় শহিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, আমরা পরিবারের লোকজনের মুখে জানতে পারি, শহিদ একজন অটোরিকশাচালক। ঋণগ্রস্ত হয়ে মানসিক সমস্যাজনিত কারণে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস দেন শহিদ। পরে স্বজনরা দেখতে পেয়ে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

শহিদ মিয়ার ছেলে সাজেদুল ইসলাম জানান, তার বাবা পেশায় একজন রিকশাচালক। পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা ছিল এবং ঋণগ্রস্ত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। তাদের বাড়ি সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ থানার ভাটারাই গ্রামে। ঢাকায় ভাড়া বাসায় থাকতো তারা।

কাজী আল আমিন/এসএনআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow