একেএস কারখানায় হামলা-ভাঙচুর, আহত ২
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে হামলা চালিয়ে স্টিল কারখানার গেইট ও অফিস ভাঙচুর করেছে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। এ সময় দায়িত্বে থাকা নৈশ প্রহরী ও অফিস স্টাফসহ কয়েকজন শ্রমিককে পিটিয়ে আহত করে স্ক্র্যাপ লোহা ও রড লুট করতে আসা ডাকাতরা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে আবুল খায়ের গ্রুপের প্রতিষ্ঠান একেএস স্টিল কারখানায় ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল এ হামলা চালায়। এসময় কারখানায় দায়িত্বে থাকা নৈশপ্রহরী মাইকে ডাকাত প্রতিরোধের আহবান জানালে স্থানীয় বাসিন্দারা (নারী-পুরুষ) এগিয়ে আসলে তারা পিছুহটে।
আহত নৈশ প্রহরী ক্ষতেন ত্রিপুরা ও অফিস স্টাফ আবদুল মোতালেব বলেন, সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত দল গেইট ও অফিস ভেঙে লুটপাট শুরু করে। এসময় ডাকাতরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে। এতে কারখানার কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
আবুল খায়ের গ্রুপের ডিজিএম ও এইচআরএডমিনের ইনচার্জ ইমরুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, ২৫ থেকে ৩০ জনের সংঘবদ্ধ অস্ত্রধারী একটি ডাকাত দল কারখানায় এসে লুটপাটের চেষ্টা চালায়। এসময় কারখানার শ্রমিকরা এলাকাবাসীর ডাকাত প্রতিরোধে সহযোগিতা চাইলে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। পরে ডাকাতরা পিছুহটে। ঘটনাটি সীতাকুণ্ড থানার পুলিশকে জানানো
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে হামলা চালিয়ে স্টিল কারখানার গেইট ও অফিস ভাঙচুর করেছে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। এ সময় দায়িত্বে থাকা নৈশ প্রহরী ও অফিস স্টাফসহ কয়েকজন শ্রমিককে পিটিয়ে আহত করে স্ক্র্যাপ লোহা ও রড লুট করতে আসা ডাকাতরা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে আবুল খায়ের গ্রুপের প্রতিষ্ঠান একেএস স্টিল কারখানায় ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল এ হামলা চালায়। এসময় কারখানায় দায়িত্বে থাকা নৈশপ্রহরী মাইকে ডাকাত প্রতিরোধের আহবান জানালে স্থানীয় বাসিন্দারা (নারী-পুরুষ) এগিয়ে আসলে তারা পিছুহটে।
আহত নৈশ প্রহরী ক্ষতেন ত্রিপুরা ও অফিস স্টাফ আবদুল মোতালেব বলেন, সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত দল গেইট ও অফিস ভেঙে লুটপাট শুরু করে। এসময় ডাকাতরা এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে। এতে কারখানার কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
আবুল খায়ের গ্রুপের ডিজিএম ও এইচআরএডমিনের ইনচার্জ ইমরুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, ২৫ থেকে ৩০ জনের সংঘবদ্ধ অস্ত্রধারী একটি ডাকাত দল কারখানায় এসে লুটপাটের চেষ্টা চালায়। এসময় কারখানার শ্রমিকরা এলাকাবাসীর ডাকাত প্রতিরোধে সহযোগিতা চাইলে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। পরে ডাকাতরা পিছুহটে। ঘটনাটি সীতাকুণ্ড থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি মো. মাহিনুল ইসলাম বলেন, ওখানে মিলের অনেক শ্রমিক ছিল। দেখা গেছে এলাকার নারী-পুরুষও। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর হামলাকারীরা কারখানায় পাথর নিক্ষেপ করতে করতে পিছু হটতে দেখা গেছে। তবে ঘটনা কী, এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওসি জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।