এক চোখের নিচে কালো দাগ? কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন জানুন
চোখের নিচে কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেলকে সাধারণত আমরা কেবল সৌন্দর্যহানি বা কসমেটিক সমস্যা হিসেবেই দেখি। বাজারের বিভিন্ন ক্রিম বা সিরাম ব্যবহার করলেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে অনেকে মনে করেন। তবে চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, চোখের নিচের এই কালো দাগ সবসময় কেবল ঘুম কম হওয়া বা ক্লান্তির কারণে হয় না। বিশেষ করে যদি কেবল একটি চোখের নিচে এমন দাগ দেখা দেয়, তবে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জ্যেষ্ঠ ছানি সার্জন ড. এ. এ. ভি. রামলিঙ্গ রেড্ডি চোখের নিচের কালো দাগের ধরন এবং এর বিপদচিহ্নগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তার মতামতের ভিত্তিতে সাজানো হলো এই ফিচার।
রঙের ভিন্নতা কী বার্তা দেয়?
চোখের নিচের চামড়া শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় অনেক পাতলা ও সংবেদনশীল হয়। ফলে এর নিচে থাকা রক্তনালী বা পেশিগুলো সহজেই চামড়ার উপর দিয়ে ফুটে ওঠে। ডার্ক সার্কেলের রঙের ওপর ভিত্তি করে এর কারণ অনুমান করা সম্ভব:
বাদামী আভা: সাধারণত চামড়ায় পিগমেন্টেশন বা রঞ্জক পদার্থের আধিক্যের কারণে এমনটা হয়।
নীল বা বেগুনি আভা: পাতলা চামড়ার নিচ দিয়ে রক্তনালী দৃশ্যমান হলে
চোখের নিচে কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেলকে সাধারণত আমরা কেবল সৌন্দর্যহানি বা কসমেটিক সমস্যা হিসেবেই দেখি। বাজারের বিভিন্ন ক্রিম বা সিরাম ব্যবহার করলেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে অনেকে মনে করেন। তবে চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মতে, চোখের নিচের এই কালো দাগ সবসময় কেবল ঘুম কম হওয়া বা ক্লান্তির কারণে হয় না। বিশেষ করে যদি কেবল একটি চোখের নিচে এমন দাগ দেখা দেয়, তবে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।
সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জ্যেষ্ঠ ছানি সার্জন ড. এ. এ. ভি. রামলিঙ্গ রেড্ডি চোখের নিচের কালো দাগের ধরন এবং এর বিপদচিহ্নগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তার মতামতের ভিত্তিতে সাজানো হলো এই ফিচার।
রঙের ভিন্নতা কী বার্তা দেয়?
চোখের নিচের চামড়া শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় অনেক পাতলা ও সংবেদনশীল হয়। ফলে এর নিচে থাকা রক্তনালী বা পেশিগুলো সহজেই চামড়ার উপর দিয়ে ফুটে ওঠে। ডার্ক সার্কেলের রঙের ওপর ভিত্তি করে এর কারণ অনুমান করা সম্ভব:
বাদামী আভা: সাধারণত চামড়ায় পিগমেন্টেশন বা রঞ্জক পদার্থের আধিক্যের কারণে এমনটা হয়।
নীল বা বেগুনি আভা: পাতলা চামড়ার নিচ দিয়ে রক্তনালী দৃশ্যমান হলে এমন রঙের দাগ দেখা যায়।
ছায়ার মতো দাগ: আলোর তারতম্যের কারণে যদি ডার্ক সার্কেল পরিবর্তিত হয়, তবে বুঝতে হবে এটি আপনার চেহারার হাড়ের গঠন বা স্ট্রাকচারের কারণে হচ্ছে।
ফোলা ভাব ও চুলকানি: চোখের নিচে ফোলা ভাবের সাথে যদি চুলকানি বা নাক বন্ধ থাকার সমস্যা থাকে, তবে তা অ্যালার্জির লক্ষণ হতে পারে।
কেন হয় এই কালো দাগ?
কেবল অনিদ্রা বা মানসিক চাপই এর একমাত্র কারণ নয়। চোখের নিচের চামড়া ঝুলে যাওয়া, দৃশ্যমান রক্তনালী, আন্ডার-আই ব্যাগ কিংবা চোখে দীর্ঘমেয়াদী অস্বস্তির কারণেও এমন দাগ পড়তে পারে। এছাড়া হাড়ের গঠনগত কারণে পড়া ছায়াও অনেক সময় ডার্ক সার্কেল হিসেবে ভ্রম তৈরি করে।
কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?
অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডার্ক সার্কেল ক্ষতিকারক না হলেও কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি:
১. একপাশে দাগ: যদি কেবল একটি চোখের নিচে কালো দাগ বা ফোলা ভাব দেখা দেয়।
২. অবনতি হওয়া: যদি কালো দাগ সময়ের সাথে সাথে দ্রুত বাড়তে থাকে বা আরও গাঢ় হয়।
৩. অন্যান্য উপসর্গ: যদি ডার্ক সার্কেলের সাথে অ্যালার্জি বা ত্বকের গুরুতর কোনো সমস্যা দেখা দেয়।
৪. ব্যথা ও লালচে ভাব: কালো দাগের পাশাপাশি চোখে ব্যথা, লাল হওয়া বা দৃষ্টিশক্তিতে কোনো পরিবর্তন আসা।
৫. আঘাতজনিত কারণ: চোখে কোনো চোট বা আঘাত পাওয়ার পর যদি ওই স্থান বিবর্ণ হয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন যে, ডার্ক সার্কেলের কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা ভিন্ন হয়। তাই কোনো একটি জাদুকরী ক্রিম দিয়ে সব ধরনের কালো দাগ দূর করা সম্ভব নয়। ডার্ক সার্কেল যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং উপরে উল্লিখিত বিপদচিহ্নগুলো দেখা দেয়, তবে দেরি না করে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস