এক শর্তে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত বাতিল করলেন ট্রাম্প

দ্রুত একটি শান্তিচুক্তি সম্পাদনের শর্তে ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান যদি চুক্তিতে সম্মত না হয়, তবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। রোববার (২ আগস্ট) বিবিসি ও এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের অনুরোধে আমি আক্রমণ স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছি। বিশ্বের ভবিষ্যৎ স্বার্থে এবং একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরানের টিকে থাকার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এটি দ্রুত একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর ওপর নির্ভর করছে।’ ট্রাম্প জানান, সম্ভাব্য এই চুক্তির মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির চূড়ান্ত অবসান ঘটানো। এই প্রতিশ্রুতিতে ইসরায়েলও তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, চলতি সপ্তাহান্তেই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ও কৌশলগত স্থানে

এক শর্তে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত বাতিল করলেন ট্রাম্প

দ্রুত একটি শান্তিচুক্তি সম্পাদনের শর্তে ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তেহরান যদি চুক্তিতে সম্মত না হয়, তবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।

রোববার (২ আগস্ট) বিবিসি ও এএফপির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের অনুরোধে আমি আক্রমণ স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছি। বিশ্বের ভবিষ্যৎ স্বার্থে এবং একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরানের টিকে থাকার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এটি দ্রুত একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর ওপর নির্ভর করছে।’

ট্রাম্প জানান, সম্ভাব্য এই চুক্তির মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করা এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির চূড়ান্ত অবসান ঘটানো। এই প্রতিশ্রুতিতে ইসরায়েলও তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, চলতি সপ্তাহান্তেই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ও কৌশলগত স্থানে তীব্র যৌথ হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েল নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্কতায় রেখেছিল। ইরানের পাল্টা হামলা হতে পারে—এমন ভাবনায় তেল আবিব ও আশপাশের এলাকায় সামরিক প্রস্তুতিও জোরদার করা হয়েছিল।

তবে হামলা বাতিলের ঘোষণার পর মধ্যপ্রাচ্যের চলমান চরম উত্তেজনায় সাময়িক বিরতি দেখা গেলেও যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি ঘুরে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকেরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow