এপ্রিলে হরমুজ দিয়ে ১ কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি ইরাকের

ইরাকের নতুন তেলমন্ত্রী বাসিম মোহাম্মদ জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসে ইরাক হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে মাত্র এক কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে, যেখানে যুদ্ধের আগে মাসিক রপ্তানি ছিল প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল।   শনিবার বাগদাদে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। খবর রয়টার্সের।  তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরাকের তেল রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বেড়ে গেছে। বাসিম মোহাম্মদ বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি এখন খুবই কম।’ বর্তমানে ইরাক প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে বলে জানান তিনি। তবে বিকল্প রুট হিসেবে কিরকুক-জেইহান পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল রপ্তানি আবার শুরু হয়েছে। মার্চ মাসে বাগদাদ সরকার ও কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সমঝোতার পর এই পাইপলাইন পুনরায় চালু হয়। মন্ত্রী জানান, বর্তমানে তুরস্কের জেইহান বন্দরের মাধ্যমে প্রতিদিন ২ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করা হচ্ছে এবং তা বাড়িয়ে ৫ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।   এ ছাড়া তেল ও গ্যাস প্রকল্প উন্নয়নে

এপ্রিলে হরমুজ দিয়ে ১ কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি ইরাকের

ইরাকের নতুন তেলমন্ত্রী বাসিম মোহাম্মদ জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসে ইরাক হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে মাত্র এক কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানি করেছে, যেখানে যুদ্ধের আগে মাসিক রপ্তানি ছিল প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল।
 
শনিবার বাগদাদে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। খবর রয়টার্সের। 

তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও ইরাকের তেল রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও বেড়ে গেছে।

বাসিম মোহাম্মদ বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে রপ্তানি এখন খুবই কম।’ বর্তমানে ইরাক প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে বলে জানান তিনি।

তবে বিকল্প রুট হিসেবে কিরকুক-জেইহান পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল রপ্তানি আবার শুরু হয়েছে। মার্চ মাসে বাগদাদ সরকার ও কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সমঝোতার পর এই পাইপলাইন পুনরায় চালু হয়।

মন্ত্রী জানান, বর্তমানে তুরস্কের জেইহান বন্দরের মাধ্যমে প্রতিদিন ২ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করা হচ্ছে এবং তা বাড়িয়ে ৫ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।  

এ ছাড়া তেল ও গ্যাস প্রকল্প উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে রয়েছে শেভরন, এক্সনমোবিল ও হ্যালিবার্টনের মতো কোম্পানি। তিনি বলেন, দ্রুত চুক্তি সই হলে ইরাক উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাবে।

ইরাক তেল উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির আন্তঃসরকারি সংস্থার (ওপেক) সঙ্গেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ৫০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করা। 

বাসিম মোহাম্মদ আরও বলেন, ‘ওপেকের সঙ্গে আমাদের সংলাপ চলছে। রপ্তানি বাড়লে এবং ওপেক উৎপাদনসীমা শিথিল করলে ইরাক বড় ধরনের আর্থিক আয় করতে পারবে।’

এদিকে ইরাক ওপেক বা ওপেক প্লাস জোট ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা করছে না বলেও জানিয়েছেন দেশটির তেল কর্মকর্তারা। তাদের মতে, স্থিতিশীল ও গ্রহণযোগ্য তেলের দাম নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ওপেক প্রয়োজন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow