এসআই মাসুদের সঙ্গে চোরের ‘গোপন যোগাযোগ’, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) সঙ্গে চোরের ‘গোপন যোগাযোগ’ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গরু চুরির একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমন তথ্য সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে উপজেলার দশানি গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়ার একটি গরু চুরি হয়। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে সন্দেহভাজন চোর আলাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গরু উদ্ধার করেন। এ সময় আলাল মিয়া চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। জানা যায়, আলালের বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকায় হলেও তিনি পাশের ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি গ্রামে বসবাস করতেন। ঘটনার মোড় ঘুরে যায় যখন স্থানীয়রা আলাল মিয়ার মোবাইল ফোন জব্দ করেন। ফোনে পাওয়া যায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের নানা আলামত। ইমুতে ভয়েস মেসেজ, চ্যাট এবং কল হিস্ট্রি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য। স্থানীয়দের দাবি, আলাল মিয়া স্বীকার করেছেন— তিনি আগে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সেই সূত্রেই এসআই মাসুদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় আর্থিক লেনদেনের ব

এসআই মাসুদের সঙ্গে চোরের ‘গোপন যোগাযোগ’, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের (এসআই) সঙ্গে চোরের ‘গোপন যোগাযোগ’ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গরু চুরির একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমন তথ্য সামনে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে উপজেলার দশানি গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়ার একটি গরু চুরি হয়। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে সন্দেহভাজন চোর আলাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গরু উদ্ধার করেন।

এ সময় আলাল মিয়া চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। জানা যায়, আলালের বাড়ি জগন্নাথপুর এলাকায় হলেও তিনি পাশের ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি গ্রামে বসবাস করতেন।

ঘটনার মোড় ঘুরে যায় যখন স্থানীয়রা আলাল মিয়ার মোবাইল ফোন জব্দ করেন। ফোনে পাওয়া যায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ মাসুদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের নানা আলামত। ইমুতে ভয়েস মেসেজ, চ্যাট এবং কল হিস্ট্রি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য।

স্থানীয়দের দাবি, আলাল মিয়া স্বীকার করেছেন— তিনি আগে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সেই সূত্রেই এসআই মাসুদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ গড়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে সহযোগিতা পেতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সবচেয়ে বিস্ময়কর অভিযোগ হলো—গরু চুরির আগে তিনি এসআইকে ফোন করে চুরির পরিকল্পনার কথা জানান এবং কোনো সমস্যা হলে সহযোগিতা চেয়েছিলেন।

তবে অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন এসআই মোহাম্মদ মাসুদ। তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি তাকে না চিনেই ইমুতে কথা বলেছি, এর বেশি কিছু না।’

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, গরু চুরির ঘটনায় আলাল মিয়া নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।

ওসি বলেন, ‘আমাদের এক সদস্যের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow