এসএসএফ সদস্যের ধাক্কার ঘটনায় আমানের স্ট্যাটাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি কর্মশালায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই অনুষ্ঠান শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথে ভিড়ের মধ্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমানকে নিরাপত্তা বাহিনীর ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।  এ ঘটনায় ফেবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন আমান। স্ট্যাটাসে আমান বলেন, যার নির্দেশে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে এই প্রজন্মের ছাত্রদল আপসহীনভাবে রাজপথে ছিল এবং যার মায়ায় পড়ে এই প্রজন্মের জাতীয়তাবাদীরা জীবনের অনেককিছু বিসর্জন দিয়েছে কিন্তু তার প্রশ্নে কখনোই আপস করেনি এবং করবেও না। তিনি বলেন, আমাদের সেই ভালোবাসার অবিকল্প শব্দ তারেক রহমান আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসেছেন এটা আমাদের জন্য পরমানন্দের। আমাদের জন্য যেমন তিনি আবেগের সর্বোচ্চ জায়গা ঠিক তেমনি তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা দেশের জন্য, দেশের সার্বভৌমত

এসএসএফ সদস্যের ধাক্কার ঘটনায় আমানের স্ট্যাটাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি কর্মশালায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই অনুষ্ঠান শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের পথে ভিড়ের মধ্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমানউল্লাহ আমানকে নিরাপত্তা বাহিনীর ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। 

এ ঘটনায় ফেবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন আমান।

স্ট্যাটাসে আমান বলেন, যার নির্দেশে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে এই প্রজন্মের ছাত্রদল আপসহীনভাবে রাজপথে ছিল এবং যার মায়ায় পড়ে এই প্রজন্মের জাতীয়তাবাদীরা জীবনের অনেককিছু বিসর্জন দিয়েছে কিন্তু তার প্রশ্নে কখনোই আপস করেনি এবং করবেও না।

তিনি বলেন, আমাদের সেই ভালোবাসার অবিকল্প শব্দ তারেক রহমান আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসেছেন এটা আমাদের জন্য পরমানন্দের। আমাদের জন্য যেমন তিনি আবেগের সর্বোচ্চ জায়গা ঠিক তেমনি তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। দেশের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা দেশের জন্য, দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য সবচেয়ে বেশি জরুরি। 

আমান বলেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তির নিরাপত্তায় নিয়োজিত সদস্যদের এই ধরনের পাবলিক প্রোগ্রামে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হয়। প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে এরকম অনেক ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঘটে, হয়তোবা কোনো একজনের প্রোফেশনালিজেমের ঘাটতি থাকতে পারে কিন্তু আমি নিশ্চিত, যে এসএসএফ সদস্য এটা করেছেন তিনি ইচ্ছেকৃতভাবে এটা করেননি এটা উপচেপড়া ভীড়ের মধ্যে হিট অব দ্যা মোমেন্ট হয়ে গেছে। 

তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখলাম এটা নিয়ে আল বটর এবং পতিত ফ্যাসিস্টের দোসররা মজা নিচ্ছে। তোমাদের তো পরচর্চা ছাড়া করার মতো কাজ নেই, আর বলার মতো নিজস্ব কিছু নেই এবং তাই সর্বদা পরনিন্দায় ব্যস্ত।’

‘যে তারেক রহমান দেশের জন্য তার বাবাকে হারিয়েছেন, তার একমাত্র ভাইকে হারিয়েছেন, তার মায়ের ওপর দিয়ে এবং নিজের ওপর দিয়ে দিয়ে বয়ে যাওয়া অবর্ণণীয় নির্যাতন সহ্য করে দেশের জন্য সবকিছু উজাড় করে কাজ করছেন সেই তারেক রহমানের জন্য আমি সবকিছু উজাড় করে দিতে পারি, পারি অপমান সইতে, পারি দ্বিধাহীনভাবে জীবনের ঝুঁকি নিতে।’
 
স্ট্যাটাসের শেষে আমান বলেন, ‘সুতরাং আল বটর আর ফ্যাসিস্টদের বলছি তোমরা যতই বস্তাপঁচা ন্যারেটিভ দাও আমি আমান তারেক রহমানের পাশে থাকবোই থাকব, ভ্যানগার্ড হয়ে থাকব, আমৃত্যু থাকব, ইনশাআল্লাহ।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow