এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দুই পক্ষের সংঘর্ষ
নাটোর শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে মারুফ রহমান ও রাকিবুল ইসলামকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলার করোটা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধলাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা চলছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোবাইলে ভিডিও ধারণ ও তা নিয়ে মন্তব্যের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। রোববার দুপুরে নাটোর সরকারি বালক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা শেষে ধলাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন পরীক্ষার্থী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিল। পথে বড়হরিশপুর এলাকায় পৌঁছালে করোটা উচ্চ বিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী তাদের গতিরোধ করে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই অটোরিকশা থামিয়ে পরীক্ষার্থীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালানো হয়। মুহূর্তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলায় পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে
নাটোর শহরের বড়হরিশপুর এলাকায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে মারুফ রহমান ও রাকিবুল ইসলামকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলার করোটা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধলাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা চলছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোবাইলে ভিডিও ধারণ ও তা নিয়ে মন্তব্যের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
রোববার দুপুরে নাটোর সরকারি বালক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা শেষে ধলাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন পরীক্ষার্থী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ি ফিরছিল। পথে বড়হরিশপুর এলাকায় পৌঁছালে করোটা উচ্চ বিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী তাদের গতিরোধ করে।
অভিযোগ রয়েছে, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই অটোরিকশা থামিয়ে পরীক্ষার্থীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালানো হয়। মুহূর্তেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হামলায় পাঁচ শিক্ষার্থী আহত হলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন,পরীক্ষা শেষ করে শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরছিল। হঠাৎ কয়েকজন ছেলে এসে অটোরিকশা থামিয়ে মারধর শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে যায়।
খবর পেয়ে নাটোর সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নাটোর সদর থানার ওসি মো. মনসুর রহমান বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে এসএসসি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শিক্ষার্থীদের এমন সহিংস ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?