‘এ রকম বোলার লাখে একজনই হয়’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিল ভারত। ৪৯৯ রানের এই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন সাঞ্জু স্যামসন। মাত্র ৪২ বলে খেলেন ৮৯ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। কিন্তু ম্যাচ শেষে স্যামসন নিজেই জানালেন, প্রকৃত নায়ক তিনি নন, বরং জাশপ্রীত বুমরা। তার মতে, বুমরার দুর্দান্ত চার ওভারই ভারতকে জিতিয়েছে। সাঞ্জু স্যামসনের স্বীকারোক্তি : ম্যাচ শেষে সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার নিতে গিয়ে সাঞ্জু স্যামসন বলেন, ‘ম্যাচ জিতে খুবই ভালো লাগছে। আগের ম্যাচে আমার ফর্ম ভালো ছিল, আমি চেষ্টা করেছি সেটা ধরে রাখতে। আমি নিজেকে সময় দিলাম, তার পর বলগুলো ব্যাটে আনায়াসেই লাগতে শুরু করল। আমি দীর্ঘ ইনিংস খেলতে চেয়েছিলাম। পরিস্থিতি সঙ্গ দিয়েছে। এবং শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছি। তবে এই জয়ের পুরো কৃতিত্ব বুমরার। ও ভালো বোলিং না করলে হয়তো আমার এই ইনিংস কাজে লাগত না। আমি আমার ভূমিকা পালন করতে পেরেছি, তাতে খুব খুশি।’ সাঞ্জু স্যামসন এসময় আরও বলেন, ‘পুরো কৃতিত্ব জাশপ্রীত বুমরার। যেভাবে ও বল করল, তা এক কথায় অসাধারণ। এ রকম বোলার লাখে একজনই হয়। আমার মতে, ম্যাচের সেরার মেডেলটা ও

‘এ রকম বোলার লাখে একজনই হয়’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিল ভারত। ৪৯৯ রানের এই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন সাঞ্জু স্যামসন। মাত্র ৪২ বলে খেলেন ৮৯ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। কিন্তু ম্যাচ শেষে স্যামসন নিজেই জানালেন, প্রকৃত নায়ক তিনি নন, বরং জাশপ্রীত বুমরা। তার মতে, বুমরার দুর্দান্ত চার ওভারই ভারতকে জিতিয়েছে।

সাঞ্জু স্যামসনের স্বীকারোক্তি :
ম্যাচ শেষে সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার নিতে গিয়ে সাঞ্জু স্যামসন বলেন, ‘ম্যাচ জিতে খুবই ভালো লাগছে। আগের ম্যাচে আমার ফর্ম ভালো ছিল, আমি চেষ্টা করেছি সেটা ধরে রাখতে। আমি নিজেকে সময় দিলাম, তার পর বলগুলো ব্যাটে আনায়াসেই লাগতে শুরু করল। আমি দীর্ঘ ইনিংস খেলতে চেয়েছিলাম। পরিস্থিতি সঙ্গ দিয়েছে। এবং শেষ পর্যন্ত সফল হয়েছি। তবে এই জয়ের পুরো কৃতিত্ব বুমরার। ও ভালো বোলিং না করলে হয়তো আমার এই ইনিংস কাজে লাগত না। আমি আমার ভূমিকা পালন করতে পেরেছি, তাতে খুব খুশি।’

সাঞ্জু স্যামসন এসময় আরও বলেন, ‘পুরো কৃতিত্ব জাশপ্রীত বুমরার। যেভাবে ও বল করল, তা এক কথায় অসাধারণ। এ রকম বোলার লাখে একজনই হয়। আমার মতে, ম্যাচের সেরার মেডেলটা ওরই পাওয়া উচিত ছিল। ২৫০ রান করেও তো হেরে যাচ্ছিলাম। কিন্তু বুমরার চার ওভার আমাদের জিতিয়ে দিল। ওই চার ওভার না হলে আমরা হেরে যেতাম।’

বুমরার প্রথম ধাক্কা :
ম্যাচের পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুককে আউট করে ভারতকে বড় অক্সিজেন দেন বুমরা। ব্রুক ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে, কিন্তু বুমরার ধীর গতির বলেই ক্যাচ আউট হন তিনি।

ডেথ ওভারেও বুমরার বাজিমাত :
ডেথ ওভারে বুমরা দেখান, তার প্রকৃত ক্ষমতা। ১৬তম ওভারে মাত্র ৮ রান দেন, আর ১৮তম ওভারে মাত্র ৬ রান খরচ করেন। এই দুই ওভারেই ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা চাপে পড়ে যান। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ভারতকে হারাতে পারেনি।

স্যামসনের ধারাবাহিকতা:
ইডেনে অপরাজিত ৯৭ রানের পর ওয়াংখেড়েতে স্যামসনের ৮৯ রান ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। তবে শতরান হাতছাড়া হলেও স্যামসন বলেন, ‘আমি কখনও শতরানের কথা ভাবিনি। ওয়াংখেড়েতে প্রচুর রান হয়। তাই সব সময় ভাবছিলাম, যত বেশি সম্ভব রান করব। টেস্ট বা এক দিনের ম্যাচে শতরান করতে হলে একটু সময় নেওয়া যায়। টি-টোয়েন্টিতে সেটা হয় না। নিজের মাইলফলকের কথা না ভেবে দলের জন্য খেলার চেষ্টা করি। এই ম্যাচেও সেটাই করেছি। দলকে জেতাতে পেরে ভাল লাগছে।’

রান তোলার পরিকল্পনা : 
অভিষেক আউট হওয়ার পর সাঞ্জু ও ঈশান কিষান দ্রুত রান তুলতে থাকেন। পরে তিলক, হার্দিকও একই কাজ করেন। স্যামসনেন দাবি, ‘আমরা জানতাম, এই উইকেটে অন্তত ২৫০ রান করতে হবে। না হলে জেতা কঠিন। ওয়াংখেড়েতে যে কোনও রান তাড়া করা যায়। সেটাই দেখা গেল। জয়ের কৃতিত্ব বোলারদের। এই উইকেটে বল করা খুব কঠিন। ওরা সেটা করে দেখিয়েছে।’
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow