কমপ্লিট শাটডাউন রাজশাহী নার্সিং কলেজ

অধ্যক্ষ নিয়োগের এক দফা দাবিতে রাজশাহী নার্সিং কলেজ (আরএনসি)-এ কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস, পরীক্ষা ও ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে এ শাটডাউন ঘোষণা করেন। এদিনও শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নার্সিং অনুষদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ব্রাইট লাইফ ভলান্টিয়ার্স’। এতে সংগঠনটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ, সদস্য তানজিদ হাসান এবং মেহেদী হাসানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ১৮ এপ্রিল থেকে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। অধ্যক্ষ নিয়োগের দাবিতে ওইদিন ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। ২০ এপ্রিল ছিল আল্টিমেটামের শেষ দিন। ওইদিন বিকেল পর্যন্ত নার্সিং অধিদপ্তর থেকে অধ্যক্ষ নিয়োগ করে প্রজ্ঞাপন না আসায় কঠোর কর্মসূচির কথা জানান শিক্ষার্থীরা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১ এপ্রিল তারা কলেজে ক্লাস, পরীক্ষা ও হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ করে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা জানান, প্রায় তিন মাস ধরে কলেজে অধ্যক্ষ না থাকায় প

কমপ্লিট শাটডাউন রাজশাহী নার্সিং কলেজ

অধ্যক্ষ নিয়োগের এক দফা দাবিতে রাজশাহী নার্সিং কলেজ (আরএনসি)-এ কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস, পরীক্ষা ও ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে এ শাটডাউন ঘোষণা করেন।

এদিনও শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নার্সিং অনুষদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ব্রাইট লাইফ ভলান্টিয়ার্স’। এতে সংগঠনটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ, সদস্য তানজিদ হাসান এবং মেহেদী হাসানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ১৮ এপ্রিল থেকে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। অধ্যক্ষ নিয়োগের দাবিতে ওইদিন ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। ২০ এপ্রিল ছিল আল্টিমেটামের শেষ দিন। ওইদিন বিকেল পর্যন্ত নার্সিং অধিদপ্তর থেকে অধ্যক্ষ নিয়োগ করে প্রজ্ঞাপন না আসায় কঠোর কর্মসূচির কথা জানান শিক্ষার্থীরা। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১ এপ্রিল তারা কলেজে ক্লাস, পরীক্ষা ও হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস বন্ধ করে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, প্রায় তিন মাস ধরে কলেজে অধ্যক্ষ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটিতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সে কারণে অবিলম্বে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। সম্প্রতি দেশের আরও তিনটি নার্সিং কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু রহস্যজনক কারণে দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী নার্সিং কলেজে এখনো অধ্যক্ষ নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না।

তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষকদের অন্তঃকলহ ও সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ একটি পক্ষের গাফিলতির কারণে এ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। আগের অধ্যক্ষ মতিয়ারা বেগম অবসরে যাওয়ার সময় কাউকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব দিয়ে যাননি। পরে অধ্যক্ষ হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে ‘লবিং’ শুরু করেন কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক। তবে রহস্যজনক একটি বিশেষ কারণে এখনো পর্যন্ত অধ্যক্ষ হিসেবে কাউকে নিয়োগ বা পদায়ন দেয়নি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর (ডিজিএনএম)।

মনির হোসেন মাহিন/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow