পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ, ৩ তরুণের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ
নরসিংদীর রায়পুরায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে তিন তরুণের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে একটি জুয়েলারি দোকানের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে। বুধবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে রায়পুরা পৌরসভার হাসিমপুর এলাকার মৌলভীবাজারে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর দগ্ধ একজনের দুই চোখসহ তিনজনেরই শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে। আহত তিন তরুণ হলেন- দ্বীপ বিশ্বাস (১৯), ওবায়দুল্লাহ (১৯) ও আহমেদ সেজান (১৮)। এদের মধ্যে দ্বীপ রায়পুরা পৌরসভার শ্রীরামপুর এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী দুলাল বিশ্বাসের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্তরা হলেন হাসিমপুরের মৌলভীবাজারের ‘লতা স্বর্ণ শিল্পালয়’ দোকানের কর্মচারী উদয় ও সৌরভ। আহত ওবায়দুল্লাহর ভাই সোহান মিয়া জানান, দ্বীপ বিশ্বাসের সঙ্গে লতা স্বর্ণ শিল্পালয়ের কর্মচারী উদয়ের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিল। বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে দ্বীপ পাওনা টাকার বিষয়ে কথা বলতে ওই দোকানে গেলে উদয় ও সৌরভের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা দ্বীপকে মারধর করতে শুরু করলে তার দুই বন্ধু ওবায়দুল্লাহ ও সেজান ঘটনাস্থলে আসেন। ঝগড়ার পর্যায়ে উদয় ও সৌরভ দোকানে স্বর্ণের কাজে ব্যবহৃত অ্যাসিড বের করে তিন বন্ধুর ওপ
নরসিংদীর রায়পুরায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে তিন তরুণের ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে একটি জুয়েলারি দোকানের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
বুধবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে রায়পুরা পৌরসভার হাসিমপুর এলাকার মৌলভীবাজারে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর দগ্ধ একজনের দুই চোখসহ তিনজনেরই শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে।
আহত তিন তরুণ হলেন- দ্বীপ বিশ্বাস (১৯), ওবায়দুল্লাহ (১৯) ও আহমেদ সেজান (১৮)। এদের মধ্যে দ্বীপ রায়পুরা পৌরসভার শ্রীরামপুর এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী দুলাল বিশ্বাসের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্তরা হলেন হাসিমপুরের মৌলভীবাজারের ‘লতা স্বর্ণ শিল্পালয়’ দোকানের কর্মচারী উদয় ও সৌরভ।
আহত ওবায়দুল্লাহর ভাই সোহান মিয়া জানান, দ্বীপ বিশ্বাসের সঙ্গে লতা স্বর্ণ শিল্পালয়ের কর্মচারী উদয়ের আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিল। বুধবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে দ্বীপ পাওনা টাকার বিষয়ে কথা বলতে ওই দোকানে গেলে উদয় ও সৌরভের সঙ্গে তার বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা দ্বীপকে মারধর করতে শুরু করলে তার দুই বন্ধু ওবায়দুল্লাহ ও সেজান ঘটনাস্থলে আসেন। ঝগড়ার পর্যায়ে উদয় ও সৌরভ দোকানে স্বর্ণের কাজে ব্যবহৃত অ্যাসিড বের করে তিন বন্ধুর ওপর ছুড়ে মারেন।
অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়া তরুণদের উদ্ধার করে প্রথমে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আশরাফুর রহমান জানান, দ্বীপ বিশ্বাসের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অ্যাসিডে তার দুই চোখের কর্নিয়া মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্য দুজনেরও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গেছে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্বীপ বিশ্বাসকে ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে এবং ওবায়দুল্লাহ ও সেজানকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরপরই দোকানটি তালাবদ্ধ করে অভিযুক্ত দুই কর্মচারী পালিয়ে যান। তবে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দোকানের মালিক কেশব রায়কে আটক করেছে রায়পুরা থানা পুলিশ।
রায়পুরা থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, অর্থ লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধে দুই পক্ষে কথা–কাটাকাটির সময় অ্যাসিড ছুড়ে মারার ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই স্বর্ণের দোকানের মালিককে থানায় আনা হয়েছে।
What's Your Reaction?