কাজ না করেই টাকা লোপাটের অভিযোগ পিআইও-প্রকল্পের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো ও সংস্কার কর্মসূচির ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কাজ না করেই লাখ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো ও সংস্কার কর্মসূচির বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল সদরসহ ১২টি ইউনিয়নে গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ ও বিভিন্ন মাদরাসার গেইট সংস্কারের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। অথচ কোনো প্রকার কাজ না করেই বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাট করা হয়েছে। সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাকুয়া প্রকাশ মকবুরের বাড়ি হতে হেলালের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভড়াট ও ইটের সলিং-এর জন্য সাড়ে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর এই প্রকল্পের চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য কামাল মোল্লা। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তায় কোনো কাজই করা হয়নি। অথচ বরাদ্দের প্রায় পুরো টাকাই পরিশোধ করা হয়েছে। একই অবস্থায় দক্ষিণ গয়লা হোসেন দাখিল মাদরাসার মেইন গেটের। এই গেটের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ এবং

কাজ না করেই টাকা লোপাটের অভিযোগ পিআইও-প্রকল্পের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো ও সংস্কার কর্মসূচির ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কাজ না করেই লাখ লাখ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রণালয়ের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো ও সংস্কার কর্মসূচির বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইল সদরসহ ১২টি ইউনিয়নে গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ ও বিভিন্ন মাদরাসার গেইট সংস্কারের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। অথচ কোনো প্রকার কাজ না করেই বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাট করা হয়েছে।

সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাকুয়া প্রকাশ মকবুরের বাড়ি হতে হেলালের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভড়াট ও ইটের সলিং-এর জন্য সাড়ে তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর এই প্রকল্পের চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য কামাল মোল্লা।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তায় কোনো কাজই করা হয়নি। অথচ বরাদ্দের প্রায় পুরো টাকাই পরিশোধ করা হয়েছে। একই অবস্থায় দক্ষিণ গয়লা হোসেন দাখিল মাদরাসার মেইন গেটের। এই গেটের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকরণ এবং জানালা নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় তিন লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আর এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান হচ্ছেন কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও কোনো প্রকার কাজ না করেই বরাদ্দের পুরো টাকাই তুলে নিয়েছেন। মাদরাসার পাশেই আমিনুরের বাড়ি হতে ঠান্ডুর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় গাইড ওয়াল এবং মাটি ভড়াটের জন্য তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি এই রাস্তায়। তারপরও টাকা পরিশোধ করা হয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যানকে। আর এই প্রকল্পের চেয়ারম্যানও ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

এদিকে পূর্ব দেলদা হাটখোলা থেকে মান্নানের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় ইটের সলিং করার জন্য দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে এই রাস্তায় শুধু সামান্য মাটি ফেলা হয়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, রাস্তার কোনো কাজই হয়নি। কবে কাজ হয়েছে তা জানেন না তারা। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছে।

৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল মোল্লা বলেন, বরাদ্দের পুরো টাকাই তুলেছি। তবে কাজ এখনো করা হয়নি। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কাজটি শেষ করা হবে।

তবে কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন বলেন, আমি বরাদ্দের অর্ধেক টাকা পেয়েছি। দ্রুতই কাজ শেষ করা হবে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ একরামুল হক বলেন, প্রকল্পগুলোর প্রায় সবকটি শেষ হয়েছে। যেগুলো এখনো শেষ হয়নি, সেগুলোর টাকা ফেরত পাঠানো হবে। তবে কাজ না করে কেউ টাকা নেয়নি।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow