কারখানায় বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান মাহমুদুল হক (৪০) নামের আরও এক শ্রমিক। নিহত মাহমুদুল হক পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গোরনখাইন এলাকার মৃত খায়ের আহমদের ছেলে। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রাশেদ উল ইসলাম জানান, কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ মাহমুদুল হকের শরীরের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে বার্ন ইউনিটে আনা হলে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর সকাল সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি মারা যান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাহমুদুল হক দুই বছরের এক কন্যাসন্তানের জনক। প্রায় দুই বছর আগে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারান তার স্ত্রী। এর আগে গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দিদারুল আলম (৩২) ও ম

কারখানায় বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান মাহমুদুল হক (৪০) নামের আরও এক শ্রমিক। নিহত মাহমুদুল হক পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গোরনখাইন এলাকার মৃত খায়ের আহমদের ছেলে। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রাশেদ উল ইসলাম জানান, কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ মাহমুদুল হকের শরীরের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে বার্ন ইউনিটে আনা হলে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকার পর সকাল সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি মারা যান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাহমুদুল হক দুই বছরের এক কন্যাসন্তানের জনক। প্রায় দুই বছর আগে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মানসিক ভারসাম্য হারান তার স্ত্রী। এর আগে গত ১৬ জুলাই সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান দিদারুল আলম (৩২) ও মোহাম্মদ আলম (৪৫)। এরপর ১৯ জুলাই বিকেল ৩টায় মারা যান নুর নবী হৃদয় (২৫) এবং একই দিন রাত সাড়ে ১০টায় মারা যান উজ্জ্বল দাশ (৫৩)।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow