কালবেলা ড্রামায় মুক্তি পেয়েছে ঈদ নাটক ‘রক্তছায়া’

ঈদে কালবেলা ড্রামায় মুক্তি পেয়েছে নাটক ‘রক্তছায়া’। এটি শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সমাজের গভীরে প্রোথিত এক কঠিন বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। আশিয়ান সিটি নিবেদিত আড্রিয়ান প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত নাটকটি পরিচালনা করেছেন আলী জুলফিকার জাহেদী। এ সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারটি পারিবারিক সহিংসতা ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের মতো সংবেদনশীল ইস্যুকে কেন্দ্র করে নির্মিত। নাটকটির গল্পে ‘পিকু’ নামের এক শিশুকে দেখা যায়, যে সমাজে মেয়েদের কথা বলা নিয়ে প্রচলিত কুসংস্কারের শিকার হয়ে নিজের পরিচয় গোপন রাখতে বাধ্য হয়। এ গল্পটি কাল্পনিক হলেও বাস্তবতার সঙ্গে এর মিল অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এখনো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মেয়েদের ‘চুপ থাকা’, ‘কম কথা বলা’ বা ‘নিজেকে গুটিয়ে রাখা’কে ভালো গুণ হিসেবে দেখা হয়—যা এক ধরনের সামাজিক চাপ ও মানসিক নিপীড়নেরই বহিঃপ্রকাশ। ‘কালবেলা ড্রামা’ ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নিয়ে দর্শক বেশ ইতিবাচক মন্তব্য করছেন। অনেকেই বলছেন, পারিবারিক পরিমণ্ডল থেকেই এ বৈষম্যের শুরু। ছোটবেলা থেকেই ছেলে ও মেয়ের মধ্যে আচরণগত পার্থক্য তৈরি করা হয়, যা পরবর্তীকালে

কালবেলা ড্রামায় মুক্তি পেয়েছে ঈদ নাটক ‘রক্তছায়া’
ঈদে কালবেলা ড্রামায় মুক্তি পেয়েছে নাটক ‘রক্তছায়া’। এটি শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সমাজের গভীরে প্রোথিত এক কঠিন বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে এসেছে। আশিয়ান সিটি নিবেদিত আড্রিয়ান প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত নাটকটি পরিচালনা করেছেন আলী জুলফিকার জাহেদী। এ সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারটি পারিবারিক সহিংসতা ও লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের মতো সংবেদনশীল ইস্যুকে কেন্দ্র করে নির্মিত। নাটকটির গল্পে ‘পিকু’ নামের এক শিশুকে দেখা যায়, যে সমাজে মেয়েদের কথা বলা নিয়ে প্রচলিত কুসংস্কারের শিকার হয়ে নিজের পরিচয় গোপন রাখতে বাধ্য হয়। এ গল্পটি কাল্পনিক হলেও বাস্তবতার সঙ্গে এর মিল অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এখনো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মেয়েদের ‘চুপ থাকা’, ‘কম কথা বলা’ বা ‘নিজেকে গুটিয়ে রাখা’কে ভালো গুণ হিসেবে দেখা হয়—যা এক ধরনের সামাজিক চাপ ও মানসিক নিপীড়নেরই বহিঃপ্রকাশ। ‘কালবেলা ড্রামা’ ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নিয়ে দর্শক বেশ ইতিবাচক মন্তব্য করছেন। অনেকেই বলছেন, পারিবারিক পরিমণ্ডল থেকেই এ বৈষম্যের শুরু। ছোটবেলা থেকেই ছেলে ও মেয়ের মধ্যে আচরণগত পার্থক্য তৈরি করা হয়, যা পরবর্তীকালে বড় হয়ে সামাজিক কাঠামোর অংশ হয়ে দাঁড়ায়। ‘রক্তছায়া’ সেই অদৃশ্য কিন্তু গভীর সমস্যাটিকেই দৃশ্যমান করার চেষ্টা করেছে। নাটকটিতে পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করা রুনা খানের উপস্থিতি এ বার্তাটিকে আরও শক্তিশালী করেছে। একজন নারীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখানোর মধ্য দিয়ে নির্মাতা নারীর ক্ষমতায়নের একটি প্রতীকী দিক তুলে ধরেছেন। এটি শুধু চরিত্র নয়, বরং বাস্তব সমাজের জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা—এমনটাও বলছেন দর্শক। নির্মাতা বলেন, 'এখানে নারীর অন্তর্নিহিত শক্তিকে তুলে ধরতেই রুনা খানকে বেছে নেওয়া হয়েছে এবং পুলিশের পোশাকে তার উপস্থিতি দর্শকদের চমকে দেবে আমরা আগেই এমনটা প্রত্যাশা করেছিলাম। নাটকটি মুক্তির পর দর্শকের ইতিবাচক সাড়া আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।' ঈদের বিনোদনধর্মী কনটেন্টের ভিড়ে ‘রক্তছায়া’ একটি ব্যতিক্রমী অবস্থান তৈরি করেছে। এটি শুধু একটি নাটক নয়, বরং সমাজের একটি অস্বস্তিকর সত্যকে সামনে আনার প্রয়াস। এ ধরনের কাজ নিয়মিত হলে দর্শকের ভাবনার জায়গায় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে ‘রক্তছায়া’ প্রমাণ করেছে ছোট পর্দার কনটেন্টও বড় সামাজিক প্রশ্ন তুলতে পারে, যদি নির্মাণে থাকে স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি ও সাহসী উপস্থাপন। নাটকের লিংক   

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow