কুয়াকাটায় আগুনে ভস্মীভূত ৮ ক্ষতিগ্রস্তের পাশে ছাত্রদল

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হোটেল ও গার্মেন্টসসহ পাশাপাশি থাকা আটটি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের মাঝে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদার। এ সময় তার সঙ্গে অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে একটি দোকানের বালিশে আগুন লাগার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের হোটেল, গার্মেন্টস ও অন্যান্য দোকানে ছড়িয়ে যায়। স্থানীয়দের প্রচেষ্টা এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে আটটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো. মিলন বলেন, আগুন লাগার পর আমরা কিছুই বের করতে পারিনি। আমার প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মালামাল পুড়েছে। সব মালামাল পুড়ে গেছে। এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। উপজেলা প্রশাসন এবং আজ ছাত্রদল নেতা যেটুকু সহযোগিতা করেছে তাতে কিছুটা হলেও পরিবারটা চলবে। আলমাস জানান, ঋণ করে দোকানে মাল তুলেছিলাম। আগুনে সবকিছু পুড়ে যাও

কুয়াকাটায় আগুনে ভস্মীভূত ৮ ক্ষতিগ্রস্তের পাশে ছাত্রদল

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হোটেল ও গার্মেন্টসসহ পাশাপাশি থাকা আটটি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের মাঝে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদার। এ সময় তার সঙ্গে অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে একটি দোকানের বালিশে আগুন লাগার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের হোটেল, গার্মেন্টস ও অন্যান্য দোকানে ছড়িয়ে যায়। স্থানীয়দের প্রচেষ্টা এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে আটটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো. মিলন বলেন, আগুন লাগার পর আমরা কিছুই বের করতে পারিনি। আমার প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মালামাল পুড়েছে। সব মালামাল পুড়ে গেছে। এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। উপজেলা প্রশাসন এবং আজ ছাত্রদল নেতা যেটুকু সহযোগিতা করেছে তাতে কিছুটা হলেও পরিবারটা চলবে।

আলমাস জানান, ঋণ করে দোকানে মাল তুলেছিলাম। আগুনে সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় এখন ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এই সামান্য সহযোগিতায় আমাদের পরিবারের খাবারের মুখে খাবার উঠলেও ব্যবসার অবস্থা অনিশ্চিত।

নেছার উদ্দিন হাওলাদার বলেন, দোকানগুলো পুড়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও যে কোনো দুর্যোগে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow