কুয়েতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন

কুয়েত প্রতিনিধি কুয়েতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বাংলাদেশ দূতাবাস আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কুয়েত সরকার জনসমাগমের ওপর সতর্কতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে সীমিত পরিসরে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দিনের শুরুতে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বাণী দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে পাঠ করেন। বাণী পাঠ শেষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর প্রকাশিত প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন তার বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, বীরাঙ্গনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন। উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান পরিস্থিতিত

কুয়েতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন

কুয়েত প্রতিনিধি

কুয়েতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বাংলাদেশ দূতাবাস আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কুয়েত সরকার জনসমাগমের ওপর সতর্কতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে সীমিত পরিসরে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দিনের শুরুতে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।

এরপর দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বাণী দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে পাঠ করেন। বাণী পাঠ শেষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর প্রকাশিত প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন তার বক্তব্যে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, বীরাঙ্গনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করেন।

উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া দূতাবাসের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।

শেষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের উত্তরোত্তর উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

একিউএফ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow