কেন্দুয়ায় হঠাৎ কুকুরের উপদ্রব, একদিনে আহত ২০

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌরসভা এলাকায় হঠাৎ করে কুকুরের উপদ্রব উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। রোববার (২২ মার্চ) সকাল থেকে দিনভর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কুকুরের কামড়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শিশু ও ১৫ বছরের নিচের কিশোর-কিশোরীর সংখ্যাই বেশি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় ঘুরে বেড়ানো বেশিরভাগ কুকুরই পূর্ণবয়স্ক। অনেক ক্ষেত্রে কোনো উসকানি ছাড়াই পথচারীদের ওপর হামলে পড়ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুদের একা বাইরে যেতে দিতে অভিভাবকেরা ভয় পাচ্ছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কুকুরের উপদ্রব নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা বেড়ে গেছে। এ পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের। কুকুরের কামড়ে আহত স্থানীয় সাংবাদিক কাওসার তালুকদার বলেন, ‌‘আমি পৌর শহরের একটি সড়কে হেঁটে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ এসে কুকুর আমাকে আক্রমণ করে মারাত্মক আহত করেছে। পরে উপজেলা হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন পাইনি। অতিরিক্ত মূল্যে কিনে এনে ভ্যাকসিন দিতে হয়েছে। এ বিষয়ে পৌরসভার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।’ এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. রিফাতু

কেন্দুয়ায় হঠাৎ কুকুরের উপদ্রব, একদিনে আহত ২০

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌরসভা এলাকায় হঠাৎ করে কুকুরের উপদ্রব উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। রোববার (২২ মার্চ) সকাল থেকে দিনভর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কুকুরের কামড়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শিশু ও ১৫ বছরের নিচের কিশোর-কিশোরীর সংখ্যাই বেশি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় ঘুরে বেড়ানো বেশিরভাগ কুকুরই পূর্ণবয়স্ক। অনেক ক্ষেত্রে কোনো উসকানি ছাড়াই পথচারীদের ওপর হামলে পড়ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিশুদের একা বাইরে যেতে দিতে অভিভাবকেরা ভয় পাচ্ছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কুকুরের উপদ্রব নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা বেড়ে গেছে। এ পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।

কুকুরের কামড়ে আহত স্থানীয় সাংবাদিক কাওসার তালুকদার বলেন, ‌‘আমি পৌর শহরের একটি সড়কে হেঁটে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ এসে কুকুর আমাকে আক্রমণ করে মারাত্মক আহত করেছে। পরে উপজেলা হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন পাইনি। অতিরিক্ত মূল্যে কিনে এনে ভ্যাকসিন দিতে হয়েছে। এ বিষয়ে পৌরসভার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।’

এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, কুকুরের উপদ্রব নিয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। খুব শিগগির এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার পরামর্শ দেন।

এইচ এম কামাল/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow