ক্যাম্প-জীবনের অবসান ও ফ্যামিলি কার্ডে অন্তর্ভুক্তি চান উর্দুভাষীরা
নিজেদের দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ ক্যাম্প-জীবনের অবসান ও বিএনপি সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে আটকে পড়া উর্দুভাষীরা। সোমবার (৪ মে) রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে তারা এই আহ্বান জানান। বাংলাদেশে আটকে পড়া উর্দুভাষীরা বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও ঢাকাসহ দেশের ৯টি জেলায় ১১৬টি ক্যাম্পে আধুনিক সকল মৌলিক মানবিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন উর্দুভাষীরা। তাদের পুনর্বাসন অত্যন্ত জরুরি। ঢাকায় দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ উর্দুভাষীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং পুনর্বাসন’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এতে গণমাধ্যমের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। কাউন্সিল অফ মাইনোরিটিজর নির্বাহী পরিচালক খালিদ হোসেনের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আহমেদ ইব্রাহিম। আরও বক্তব্য রাখেন- সাদাকাত খান ফাক্কু, শাহেদ আলী বাবলু, ওসামা রহমান ইয়াসহাব, মাজহারুল ইসলাম। এতে মোহাম্মদপুর ও মিরপুর হতে আগত ক্যাম্প প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন। সেমিনারে আহমেদ ইব্রাহিম ক্যাম্প
নিজেদের দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ ক্যাম্প-জীবনের অবসান ও বিএনপি সরকারের বিশেষ উদ্যোগ ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে আটকে পড়া উর্দুভাষীরা। সোমবার (৪ মে) রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে তারা এই আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে আটকে পড়া উর্দুভাষীরা বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও ঢাকাসহ দেশের ৯টি জেলায় ১১৬টি ক্যাম্পে আধুনিক সকল মৌলিক মানবিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন উর্দুভাষীরা। তাদের পুনর্বাসন অত্যন্ত জরুরি। ঢাকায় দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ উর্দুভাষীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং পুনর্বাসন’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
এতে গণমাধ্যমের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
কাউন্সিল অফ মাইনোরিটিজর নির্বাহী পরিচালক খালিদ হোসেনের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আহমেদ ইব্রাহিম। আরও বক্তব্য রাখেন- সাদাকাত খান ফাক্কু, শাহেদ আলী বাবলু, ওসামা রহমান ইয়াসহাব, মাজহারুল ইসলাম। এতে মোহাম্মদপুর ও মিরপুর হতে আগত ক্যাম্প প্রতিনিধিরাও অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন।
সেমিনারে আহমেদ ইব্রাহিম ক্যাম্পবাসী উর্দুভাষীদের ৫৪ বছরের বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশের তিন লাখ উর্দুভাষী ঢাকাসহ দেশের ৯টি জেলায় ১১৬টি ক্যাম্পে আধুনিক সকল মৌলিক মানবিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে ক্যাম্পে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু তাদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে না। ক্যাম্পের পরিধি না বাড়লেও এখানে বসবাসরত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ। ফলে ছোট একটা রুমের ভেতর বাস করতে হচ্ছে কয়েক প্রজন্মকে।
তিনি আরও বলেন, উর্দুভাষীদের জীবন মান উন্নয়নের জন্য তাদের ক্যাম্প জীবনের অবসান করে পুনর্বাসন ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নাই।
সাদাকাত খান ফাক্কু বলেন, পুনর্বাসন ছাড়া কোনো ক্যাম্প উচ্ছেদ করা যাবে না। খালিদ হোসেন বলেন, ক্যাম্পে বসবাসরত উর্দুভাষীদের স্থায়ী উন্নয়ন ও পুনর্বাসনের জন্যে সরকারকে বিশেষ কমিশন গঠন করতে হবে এবং বাজেটে ক্যাম্পবাসীদের জন্য বরাদ্দ দিতে হবে। তিনি পুনর্বাসনের জন্যে মোহাজিরদের জন্য নির্ধারিত ৩৪ হাজার একর জমি শনাক্তকরণ ও পুনরুদ্ধার করে বিতরণের জন্যে সরকারকে আহবান জানান।
পাশাপাশি তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ক্যাম্পে বসবাসরত উর্দুভাষীদের জন্যে সরকারের চলমান ফ্যামিলি কার্ডে উর্দুভাষীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
What's Your Reaction?