ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস প্রণোদনা দেওয়া হবে : কামরুল
হাওরের বাঁধ ভেঙে বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে তাদের আগামী তিন মাস প্রণোদনা দেওয়া হবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার বিভিন্ন হাওর পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে তাকে সরেজমিনে পাঠিয়েছেন। সরকার সবসময় কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আজ আমরা ডুবে যাওয়া হাওর পরিদর্শনে এসেছি, কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখতে এসেছি। হাওরের দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে কাজ করছি।
হাওরের মূল সমস্যা হিসেবে নদী ও হাওরের নাব্যতা হ্রাসের কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য জানান, এ সমস্যা সমাধানে আমাদের সরকারের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে নদী ও হাওর খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি প্রতিটি হাওরে পানি নিষ্কাশনের জন্য স্লুইসগেট নির্মাণ করা হবে, যা
হাওরের বাঁধ ভেঙে বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে তাদের আগামী তিন মাস প্রণোদনা দেওয়া হবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার বিভিন্ন হাওর পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে তাকে সরেজমিনে পাঠিয়েছেন। সরকার সবসময় কৃষকদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আজ আমরা ডুবে যাওয়া হাওর পরিদর্শনে এসেছি, কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা দেখতে এসেছি। হাওরের দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে কাজ করছি।
হাওরের মূল সমস্যা হিসেবে নদী ও হাওরের নাব্যতা হ্রাসের কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য জানান, এ সমস্যা সমাধানে আমাদের সরকারের প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে নদী ও হাওর খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি প্রতিটি হাওরে পানি নিষ্কাশনের জন্য স্লুইসগেট নির্মাণ করা হবে, যাতে জলাবদ্ধতা কমে এবং ভবিষ্যতে ফসলহানির ঝুঁকি হ্রাস পায়। আশা করছি আগামীতে আমরা সে অনুযায়ী কাজ করতে পারব।
তিনি বলেন, যেসব কৃষকের ফসল বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে, তাদের আগামী তিন মাস প্রণোদনা দেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মানিক, মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয় ঘোষ, তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম, তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বাদল মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক জুনাব আলী, মেহেদী হাসান উজ্জ্বল, ছাত্রদল আহ্বায়ক আবুল হাসান রাসেল, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান মুন্না, ছাত্রদল নেতা আবুল হাসনাত রাহুল ও শাওন ইসলাম।