কয়েল জ্বালাতে গিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ শ্রমিক দম্পতি

সাভারের মজিদপুরে রাতে ঘুমানোর আগে মশার কয়েল জ্বালানোর সময় আকস্মিক বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে এক পোশাকশ্রমিক দম্পতি গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। আগুনে উভয়ের শরীরের সিংহভাগ পুড়ে যাওয়ায় তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সাভারের মজিদপুর দিঘীরপাড় মসজিদবাড়ি এলাকার নূর মোহাম্মদের মালিকানাধীন একটি দুই তলা ভবনের নিচতলার ভাড়া বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- মো. কাউসার (২৮) ও তার স্ত্রী রুবী আক্তার (২৪)। তারা দুজনই সাভারের পৃথক পোশাক কারখানায় কর্মরত। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, আগুনে কাউসারের শরীরের শতভাগ এবং রুবী আক্তারের শরীরের ৮৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, রাতে ঘুমানোর আগে গ্যাস লাইটার দিয়ে মশার কয়েল জ্বালানোর চেষ্টা করেন কাউসার। লাইটার জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। দম্পতির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাদের

কয়েল জ্বালাতে গিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ শ্রমিক দম্পতি

সাভারের মজিদপুরে রাতে ঘুমানোর আগে মশার কয়েল জ্বালানোর সময় আকস্মিক বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে এক পোশাকশ্রমিক দম্পতি গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। আগুনে উভয়ের শরীরের সিংহভাগ পুড়ে যাওয়ায় তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সাভারের মজিদপুর দিঘীরপাড় মসজিদবাড়ি এলাকার নূর মোহাম্মদের মালিকানাধীন একটি দুই তলা ভবনের নিচতলার ভাড়া বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- মো. কাউসার (২৮) ও তার স্ত্রী রুবী আক্তার (২৪)। তারা দুজনই সাভারের পৃথক পোশাক কারখানায় কর্মরত।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, আগুনে কাউসারের শরীরের শতভাগ এবং রুবী আক্তারের শরীরের ৮৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, রাতে ঘুমানোর আগে গ্যাস লাইটার দিয়ে মশার কয়েল জ্বালানোর চেষ্টা করেন কাউসার। লাইটার জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং মুহূর্তেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। দম্পতির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

দগ্ধ কাউসারের বাবা মো. সিমান শেখ বলেন, হাসপাতালে ছেলে তাকে জানিয়েছে, কয়েল ধরানোর জন্য লাইটার জ্বালাতেই হঠাৎ পুরো ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে তাদের পরনের কাপড়সহ ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র পুড়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, যে কক্ষে আগুনের ঘটনা ঘটেছে সেখানে কোনো গ্যাস সংযোগ ছিল না। তবে ঘরের জানালার পাশ দিয়ে একটি গ্যাসের পাইপলাইন গেছে। বাইরে থাকা ওই পাইপলাইন থেকে কোনোভাবে গ্যাস লিক হয়ে ঘরের ভেতরে জমে ছিল কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন তিনি।

ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow