খাবার খেয়ে যবিপ্রবির ৭০ ছাত্রী অসুস্থ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আবাসিক ছাত্রী হলের খাবার খেয়ে ৭০ জনের বেশি ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি আছেন।
মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. তারিক হাসান জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যাদের উপসর্গ প্রায় একই ধরনের। তারা বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে হলের ডাইনিংয়ে ভাত, মাংস, ভর্তা ও ডাল খেয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই খাবার থেকেই বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা গেছে। অনেকের শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হওয়ায় তারা দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ছেন। সীমিত চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জনবল নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকরা। কয়েকজন শিক্ষার্থীর অবস্থা জটিল হওয়ায় তাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে বীর প্রতীক তারামন বিবি ছাত্রী হলের ডাইনিংয়ে প্রায় ১৬৬ জন শিক্ষার্থী খাবার গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৭০ জনের বেশি ছাত্রী অসুস্থ
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) আবাসিক ছাত্রী হলের খাবার খেয়ে ৭০ জনের বেশি ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি আছেন।
মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. তারিক হাসান জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যাদের উপসর্গ প্রায় একই ধরনের। তারা বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে হলের ডাইনিংয়ে ভাত, মাংস, ভর্তা ও ডাল খেয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই খাবার থেকেই বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটেছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা গেছে। অনেকের শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হওয়ায় তারা দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ছেন। সীমিত চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জনবল নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকরা। কয়েকজন শিক্ষার্থীর অবস্থা জটিল হওয়ায় তাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে বীর প্রতীক তারামন বিবি ছাত্রী হলের ডাইনিংয়ে প্রায় ১৬৬ জন শিক্ষার্থী খাবার গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৭০ জনের বেশি ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভোর ৪টা থেকে তাদের মধ্যে অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে এবং সকাল থেকে একে একে তারা মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নিতে যান। যারা ডাল খাননি, তাদের মধ্যে অসুস্থতার হার তুলনামূলক কম বলে জানা গেছে।
শিক্ষার্থীরা হলের ডাইনিংয়ের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়েও অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, দুপুরের রান্না করা খাবার রাতে গরম করে পরিবেশন করা হয়, অনেক সময় খাবার থেকে দুর্গন্ধ আসে। ডাল ও তরকারিতে চুল বা মুরগির পালক পাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এছাড়া থালা-বাসন অপরিষ্কার থাকা এবং ডাইনিং এলাকায় বিড়ালের উপদ্রব রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এদিকে অসুস্থতার সংখ্যা বাড়তে থাকায় বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে মেডিকেল সেন্টারে চাপ তৈরি হয়। এ সময় চিকিৎসক ও সহকারীরা রোগীদের সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু চিকিৎসক তখন উপস্থিত ছিলেন না।
হলের প্রভোস্ট ড. আফরোজা খাতুন জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়ে সহকারী প্রভোস্টকে মেডিকেলে পাঠিয়েছেন। তিনি আরও জানান, বুধবার দুপুরে তিনি নিজেও ডাইনিংয়ে খাবার খেয়েছিলেন, তবে রাতের খাবারে কী সমস্যা হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।