ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে ব্রিটেনের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্রের

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল ফাঁস হয়েছে। তাতে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কিছু একটা ভাবছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ইমেইলটি আদান-প্রদান হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়,  ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে পর্যাপ্ত সমর্থন না দেওয়া ন্যাটো মিত্রদের বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে। ওই ইমেইলে ইউরোপীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের ‘ঔপনিবেশিক সম্পদ’ হিসেবে বিবেচিত অঞ্চলগুলোর প্রতি মার্কিন কূটনৈতিক সমর্থন পুনর্মূল্যায়নের কথাও উল্লেখ ছিল। সেই তালিকায় ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নাম উঠে আসে, যা আর্জেন্টিনার উপকূলের কাছে অবস্থিত। ১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার  মধ্যে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধ হয়। আর্জেন্টিনার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সংঘাতের অবসান ঘটে। ওই যুদ্ধে প্রায় ৬৫০ জন আর্জেন্টাইন এবং ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা নিহত হন। এরপর থেকে দ্বীপপুঞ্জটির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে যুক্তরাজ্য। এ বিষয়ে আবারও অবস্থান স্পষ্ট করেছে যুক্তরাজ্য। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব যুক্তরাজ্যের হাতেই রয়েছে এবং এ অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে ব্রিটেনের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল ফাঁস হয়েছে। তাতে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কিছু একটা ভাবছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ইমেইলটি আদান-প্রদান হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়,  ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে পর্যাপ্ত সমর্থন না দেওয়া ন্যাটো মিত্রদের বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে। ওই ইমেইলে ইউরোপীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের ‘ঔপনিবেশিক সম্পদ’ হিসেবে বিবেচিত অঞ্চলগুলোর প্রতি মার্কিন কূটনৈতিক সমর্থন পুনর্মূল্যায়নের কথাও উল্লেখ ছিল। সেই তালিকায় ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নাম উঠে আসে, যা আর্জেন্টিনার উপকূলের কাছে অবস্থিত। ১৯৮২ সালে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার  মধ্যে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধ হয়। আর্জেন্টিনার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সংঘাতের অবসান ঘটে। ওই যুদ্ধে প্রায় ৬৫০ জন আর্জেন্টাইন এবং ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা নিহত হন। এরপর থেকে দ্বীপপুঞ্জটির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে যুক্তরাজ্য। এ বিষয়ে আবারও অবস্থান স্পষ্ট করেছে যুক্তরাজ্য। ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব যুক্তরাজ্যের হাতেই রয়েছে এবং এ অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে স্পষ্ট করেছে ব্রিটিশ সরকার। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের এক মুখপাত্র এ মন্তব্য করেন। মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেন, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। এটি দীর্ঘদিনের এবং অপরিবর্তিত। দ্বীপগুলোর সার্বভৌমত্ব যুক্তরাজ্যের এবং সেখানকার জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রশাসনের কাছেও ধারাবাহিকভাবে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। স্টারমারের ওপর যুক্তরাষ্ট্র চাপ সৃষ্টি করছে কি না, এমন প্রশ্নে মুখপাত্র বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে এ বিষয়ে কথা বলেছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে কোনো ধরনের চাপ তার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে না। তিনি সবসময় জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow