খামেনির ব্যবহৃত বিমান ধ্বংসের দাবি ইসরায়েলের

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিমানটি ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে।  সোমবার (১৫ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে চালানো একটি নির্ভুল হামলায় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ব্যবহৃত একটি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার গভীর রাতে এই হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় ওই বিমানটি ধ্বংস করা হয়েছে। বিমানটি ইরানের নেতারা বিভিন্ন মিত্র দেশের সঙ্গে সমন্বয়, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং তাদের সক্ষমতা পুনর্গঠনের কাজে ব্যবহার করত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই হামলার মাধ্যমে ইরান সরকারের নেতৃত্বের সমন্বয় ক্ষমতা এবং সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। এদিকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য দেশকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ এ প্রস্তাবে সাড়া দেয়

খামেনির ব্যবহৃত বিমান ধ্বংসের দাবি ইসরায়েলের
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিমানটি ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে।  সোমবার (১৫ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রাজধানী তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে চালানো একটি নির্ভুল হামলায় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ব্যবহৃত একটি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার গভীর রাতে এই হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় ওই বিমানটি ধ্বংস করা হয়েছে। বিমানটি ইরানের নেতারা বিভিন্ন মিত্র দেশের সঙ্গে সমন্বয়, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং তাদের সক্ষমতা পুনর্গঠনের কাজে ব্যবহার করত। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই হামলার মাধ্যমে ইরান সরকারের নেতৃত্বের সমন্বয় ক্ষমতা এবং সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতায় বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। এদিকে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য দেশকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ এ প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশকে ওই অঞ্চলে জাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান। তার মতে, এতে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, ট্রাম্প যেসব দেশের কথা উল্লেখ করেছেন তাদের কয়েকটির সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, হরমুজ প্রণালি আবার চালু করতে চীন গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। চীনের দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা সবার দায়িত্ব এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে চীন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবে। বর্তমানে ইরানের সামরিক বাহিনী কার্যত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ছাড়া অন্য দেশের জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow