গণতান্ত্রিক উত্তরণ কঠিন তবে দুরূহ নয়: আলী রীয়াজ
গণভোট–সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথ পৃথিবীর কোথাও সহজ নয়; এটি অত্যন্ত কঠিন। তবে আন্তরিকতা ও দৃঢ় অঙ্গীকার থাকলে বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করা দুরূহ নয়। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, পার্থক্য ও সম্ভাব্য সংঘাতের দিকে অতিরিক্ত মনোযোগ না দিয়ে উত্তরণের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়াই সবার অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। ‘সমন্বয়ের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর’ আলী রীয়াজ বলেন, জনগণের সমর্থন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিও প্রতিফলিত হয়েছে। ফলে সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন, যার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোরই। তিনি বলেন, এটি কারও ‘মার্সির ওপর ছেড়ে দেওয়া’ নয়; বরং একটি অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, যেখানে সব দলের দায়বদ্ধতা রয়েছে। লিখিত আইনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা দরকার। উচ্চকক্ষ গঠন ছয় মাসে, প্রাধান্য নির্ধারণে সংশয় সংস্কার–উত্তর অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, প্রাধান্য নির্ভর করবে কাজের অগ্রগতির ওপর। তবে উচ্চ
গণভোট–সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথ পৃথিবীর কোথাও সহজ নয়; এটি অত্যন্ত কঠিন। তবে আন্তরিকতা ও দৃঢ় অঙ্গীকার থাকলে বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করা দুরূহ নয়।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, পার্থক্য ও সম্ভাব্য সংঘাতের দিকে অতিরিক্ত মনোযোগ না দিয়ে উত্তরণের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়াই সবার অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
‘সমন্বয়ের দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর’
আলী রীয়াজ বলেন, জনগণের সমর্থন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিও প্রতিফলিত হয়েছে। ফলে সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন, যার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোরই।
তিনি বলেন, এটি কারও ‘মার্সির ওপর ছেড়ে দেওয়া’ নয়; বরং একটি অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, যেখানে সব দলের দায়বদ্ধতা রয়েছে। লিখিত আইনের পাশাপাশি রাজনৈতিক বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা দরকার।
উচ্চকক্ষ গঠন ছয় মাসে, প্রাধান্য নির্ধারণে সংশয়
সংস্কার–উত্তর অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, প্রাধান্য নির্ভর করবে কাজের অগ্রগতির ওপর। তবে উচ্চকক্ষ গঠনের বিষয়টি যেহেতু সুনির্দিষ্টভাবে আদেশে উল্লেখ আছে, তাই ছয় মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন করতে হবে।
আরও পড়ুন
গণভোটের ফলাফলে বোঝা যায় বেশিরভাগ মানুষ পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরতে চায় না
তিনি উল্লেখ করেন, পুরো প্রক্রিয়ার জন্য ১৮০ দিন বরাদ্দ রয়েছে। কোনো একটি ধারাকে এককভাবে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া সম্ভব হবে কি না—এ বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে তার সংশয় আছে। তার মতে, এটি একটি ‘কম্পোজিট’ প্রক্রিয়া; পারস্পরিক সংগতি রেখে ধাপে ধাপে কাজ এগোতে হবে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও সংসদের সমন্বয়ের ওপর জোর
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংস্কার–সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নেবে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ দেশ শাসন, বাজেট ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ফলে এ দুই প্রক্রিয়ার মধ্যে বাস্তবসম্মত সমন্বয় অপরিহার্য।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক উত্তরণ সফল করা সম্ভব।
ইএ
What's Your Reaction?