গণভোটে জামায়াতের অবস্থান ‘আধা প্রেম, আধা প্রতারণা’ : আইনমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের লিফলেট পাওয়া গেছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘গণভোটে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ‘আধা প্রেম, আধা প্রতারণা।’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিন বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিরোধী দল কেন সংস্কার চায় সেখানে (লিফলেট) কয়েকটি পয়েন্ট দিয়েছেন। এই পয়েন্টের মধ্যে কোথাও জুলাই সনদের কথা বলা নাই। এখানে বলেছেন, গণভোটের কথা ব্যাখ্যা করেছি। জুলাই সনদ থেকে গণভোটকে ডেভিয়েট (বিচ্যুত) করা হয়েছে। দ্যাট ইজ এ ফ্রড অন দ্য কনস্টিটিউশন অ্যান্ড দ্যাট ইজ এ ফ্রড অন দ্য ল। জুলাই জাতীয় সনদ যেটা ৩৩টি রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছিল, লিফলেটে সেটির নাম চিহ্ন নাই। গণভোটে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান আধা প্রেম, আধা প্রতারণা।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটা (লিফলেট) পড়তে যেয়ে মনে হলো, ৩৩ এ পাসের একটা থিওরি আছে। এটা পড়তে যেয়ে মনে হলো আমি কি ৩৩ এ পাসের স্টেজে আছি। ৩৩ এ পাস আসলো ১৮৫৪ সালে, এই উপমহাদেশে যখন ম্যাট্রিকুলেশনের পরীক্ষা শুরু হবে সেই সময়। তখন ব্রিটেনে পাসের মা

গণভোটে জামায়াতের অবস্থান ‘আধা প্রেম, আধা প্রতারণা’ : আইনমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের লিফলেট পাওয়া গেছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘গণভোটে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান ‘আধা প্রেম, আধা প্রতারণা।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিন বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বিরোধী দল কেন সংস্কার চায় সেখানে (লিফলেট) কয়েকটি পয়েন্ট দিয়েছেন। এই পয়েন্টের মধ্যে কোথাও জুলাই সনদের কথা বলা নাই। এখানে বলেছেন, গণভোটের কথা ব্যাখ্যা করেছি। জুলাই সনদ থেকে গণভোটকে ডেভিয়েট (বিচ্যুত) করা হয়েছে। দ্যাট ইজ এ ফ্রড অন দ্য কনস্টিটিউশন অ্যান্ড দ্যাট ইজ এ ফ্রড অন দ্য ল। জুলাই জাতীয় সনদ যেটা ৩৩টি রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছিল, লিফলেটে সেটির নাম চিহ্ন নাই। গণভোটে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান আধা প্রেম, আধা প্রতারণা।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটা (লিফলেট) পড়তে যেয়ে মনে হলো, ৩৩ এ পাসের একটা থিওরি আছে। এটা পড়তে যেয়ে মনে হলো আমি কি ৩৩ এ পাসের স্টেজে আছি। ৩৩ এ পাস আসলো ১৮৫৪ সালে, এই উপমহাদেশে যখন ম্যাট্রিকুলেশনের পরীক্ষা শুরু হবে সেই সময়। তখন ব্রিটেনে পাসের মাস ছিল ৬৫ নম্বর। ব্রিটিশরা মনে করতেন, এই উপমহাদেশের মানুষ ব্রিটিশদের থেকে অর্ধেক বুদ্ধি ধারণ করেন। তাই উনারা সাড়ে ৩২ নাম্বারে পাসের মার্কস করলেন। ওখানে ছিল ৬৫, এখানে হল সাড়ে ৩২। চার বছর পরে ১৯৬২ সালে এটা ৩৩ করা হলো। আমার মনে হচ্ছে, উনারা এমনভাবে লিখেছেন আমি কি সেই ৩৩ এ পাসের মতন উনাদের থেকে এখনও অর্ধশিক্ষিত আছি? যেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান, জুলাই সনদের কোনও শব্দ নেই।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow