গভীর রাতে যুবককে গুলি করে হত্যা
চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভায় এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত কাউছার উর জামান বাবলু (৩৬) ওই এলাকার আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে বালু, ইট সরবরাহ এবং ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাবলু পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার নানাবাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে মামাতো ভাই পলিনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব আলীখীল খামার টিলা এলাকায় একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে তাকে বেদম মারধর ও গুলি করে।
পরে স্বজনরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গহিরা জে কে মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে।
নিহতের বাবা আবুল কালাম সওদাগর জানান, তার ছেলে প্রতিবাদী স্বভাবের ছিল এবং এলাকায় চাঁদাবাজি নিয়ে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তার ব
চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভায় এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত কাউছার উর জামান বাবলু (৩৬) ওই এলাকার আবুল কালাম সওদাগরের ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে বালু, ইট সরবরাহ এবং ঠিকাদারি কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বাবলু পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার নানাবাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে মামাতো ভাই পলিনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব আলীখীল খামার টিলা এলাকায় একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা প্রথমে তাকে বেদম মারধর ও গুলি করে।
পরে স্বজনরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গহিরা জে কে মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে।
নিহতের বাবা আবুল কালাম সওদাগর জানান, তার ছেলে প্রতিবাদী স্বভাবের ছিল এবং এলাকায় চাঁদাবাজি নিয়ে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল। তবে হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।