গভীর সাগরে ট্রলারে জলদস্যুদের হামলা, ১৪ জেলে আহত
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এফবি মিম নামের একটি মাছধরা ট্রলারে হামলা চালিয়েছে জলদস্যুরা। এ সময় ট্রলারে থাকা ১৪ জেলকে পিটিয়ে মাছ, জাল ও জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন মালপত্র ডাকাতরা নিয়ে গেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) ভোর রাতে কুয়াকাটার সৈকত থেকে অন্তত ৪৫ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে। আহত জেলেরা সকাল ৯টার দিকে তীরে ফিরে প্রথমে কুয়াকাটা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এদের মধ্যে মাঝি আইউব আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া জিহাদ, রিপন ও শামিম নামের তিন জেলেকে কুয়াকাটা হাসপালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের সবার বাড়ি ভোলা জেলার চরফ্যাশন এলাকায়। আহত জেলে জিহাদ বলেন, গত ৩০ জুলাই ১৪ জেলের বহরে তিনিও এই ট্রলারে মাছ শিকারে সমুদ্রে গিয়েছিলেন। বুধবার ভোর রাতে হঠাৎ বড় বড় ট্রলার নিয়ে তাদের ঘিরে ফেলে ডাকাত দল। এসময় তাদের ট্রলারে উঠেই ডাকাতরা প্রথমে মাঝি আইউব আলীকে অমানবিক নির্যাতন করে। এরপর একে একে সবাইকে মারধর করে। তার অভিযোগ, ডাকাত দলের ধারালো অস্ত্রের সামনে নিরুপায় ছিলেন তারা। নির্যাতন সইতে না পেরে পায়ে ধরেছি তবুও অত্যাচার বন্ধ করেনি ডাকাতরা। এফবি
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এফবি মিম নামের একটি মাছধরা ট্রলারে হামলা চালিয়েছে জলদস্যুরা। এ সময় ট্রলারে থাকা ১৪ জেলকে পিটিয়ে মাছ, জাল ও জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন মালপত্র ডাকাতরা নিয়ে গেছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) ভোর রাতে কুয়াকাটার সৈকত থেকে অন্তত ৪৫ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে।
আহত জেলেরা সকাল ৯টার দিকে তীরে ফিরে প্রথমে কুয়াকাটা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এদের মধ্যে মাঝি আইউব আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া জিহাদ, রিপন ও শামিম নামের তিন জেলেকে কুয়াকাটা হাসপালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের সবার বাড়ি ভোলা জেলার চরফ্যাশন এলাকায়।
আহত জেলে জিহাদ বলেন, গত ৩০ জুলাই ১৪ জেলের বহরে তিনিও এই ট্রলারে মাছ শিকারে সমুদ্রে গিয়েছিলেন। বুধবার ভোর রাতে হঠাৎ বড় বড় ট্রলার নিয়ে তাদের ঘিরে ফেলে ডাকাত দল। এসময় তাদের ট্রলারে উঠেই ডাকাতরা প্রথমে মাঝি আইউব আলীকে অমানবিক নির্যাতন করে। এরপর একে একে সবাইকে মারধর করে।
তার অভিযোগ, ডাকাত দলের ধারালো অস্ত্রের সামনে নিরুপায় ছিলেন তারা। নির্যাতন সইতে না পেরে পায়ে ধরেছি তবুও অত্যাচার বন্ধ করেনি ডাকাতরা।
এফবি মিম ট্রলার মালিক ইব্রাহিম কালবেলাকে বলেন, ডাকাতদের হাত থেকে জেলেদের প্রাণ রক্ষায় সব মালামাল দিয়ে মিনতি করে তীরে ফিরেছেন। ওই সময়ে ট্রলার থেকে আহরণকৃত প্রায় ৩ লাখ টাকার মাছ, জাল ও জ্বালানি তেল না দিলে প্রাণ হারানোর উপক্রম ছিল। তাই জেলেদের ওপর নির্যাতন দেখে ডাকাতদের মালামাল নিয়ে যেতে কোনো বাধা দেননি। তার অভিযোগ, ওই সময়ে আমরা মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে ছিলাম। কিন্তু নেটওয়ার্কের মধ্যে এসে পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল দিলে তারা বলেন তাদের এরিয়ার মধ্যে না।
তিনি আরও বলেন, পরে আহত জেলেদের নিয়ে আল্লাহকে ডাকতে ডাকতে সকালে তীরে পৌঁছে হাসপাতালে আসি। কিন্তু মাঝি আইউব আলীর চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানেই গুরুতর জখম রয়েছে। তাই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তবে এ ডাকাতদল পাথরঘাটা এলাকার বলে ধারণা।
পায়রা বন্দর নৌ পুলিশের ইনচার্জ নয়ন কারকুন কালবেলাকে বলেন, বর্তমানে জেলেদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ডাকাতির ঘটনায় বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
What's Your Reaction?