সিলেটে ময়লার স্তূপ থেকে সাদা কাপড়ে মোড়ানো খণ্ডিত পায়ের পাতা উদ্ধার
সিলেট নগরীর আম্বরখানা-এয়ারপোর্ট সড়কের পাশের ময়লার স্তূপ থেকে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের পাতা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে নগরীর আম্বরখানা এলাকার স্বাদ মিষ্টির দোকানের পাশের ময়লার স্তূপ থেকে পায়ের অংশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত পৌনে ২টার দিকে বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান। পুলিশ জানায়, আম্বরখানা এলাকার সড়কের পাশে ময়লার স্তূপে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের অংশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পায়ের অংশটি উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য সেটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এয়ারপোর্ট থানার ওসি সহিদুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ময়লার স্তূপে মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের অংশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে সেটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ডিএনএ পর
সিলেট নগরীর আম্বরখানা-এয়ারপোর্ট সড়কের পাশের ময়লার স্তূপ থেকে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের পাতা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে নগরীর আম্বরখানা এলাকার স্বাদ মিষ্টির দোকানের পাশের ময়লার স্তূপ থেকে পায়ের অংশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
রাত পৌনে ২টার দিকে বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান।
পুলিশ জানায়, আম্বরখানা এলাকার সড়কের পাশে ময়লার স্তূপে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের অংশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পায়ের অংশটি উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য সেটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি সহিদুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ময়লার স্তূপে মানুষের একটি খণ্ডিত পায়ের অংশ পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে সেটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পায়ের অংশটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, খণ্ডিত পায়ের অংশ দেখে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব নয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর অস্ত্রোপচারের সময় কেটে ফেলা পায়ের অংশ কেউ ময়লার স্তূপে ফেলে রেখে যেতে পারেন। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।
ওসি আরও বলেন, পায়ের খণ্ডিত অংশটি কীভাবে সেখানে এল এবং এর সঙ্গে কোনো অপরাধের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ডিএনএ পরীক্ষা ও তদন্তের পর পায়ের অংশটির পরিচয় এবং সেটি ময়লার স্তূপে ফেলার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।
What's Your Reaction?