গাছের ডালে মিলল নিখোঁজ নারীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় নিখোঁজের ৭২ ঘণ্টা পর জোসনা বিশ্বাস (৪৫) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। শুক্রবার (১ মে) দক্ষিণ চর বিষ্ণুপুর এলাকার গাছের ডাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত জোসনা বিশ্বাস উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চর বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত নবীন বিশ্বাসের স্ত্রী। থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে জোসনা বিশ্বাস বাড়ি থেকে হাঁটার উদ্দেশ্যে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ৩০ এপ্রিল সদরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শুক্রবার (১ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ির পাশের একটি বাগানে পাখি বিশ্বাস (৮) ও মরিয়ম আক্তার (১০) নামে দুই শিশু গাব (বুন ফল) পাড়তে গিয়ে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পায়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। মরদেহটি উদ্ধারের পর শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন থাকায় ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সদরপুর থানার উ

গাছের ডালে মিলল নিখোঁজ নারীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় নিখোঁজের ৭২ ঘণ্টা পর জোসনা বিশ্বাস (৪৫) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীরের একাধিক স্থানে ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। শুক্রবার (১ মে) দক্ষিণ চর বিষ্ণুপুর এলাকার গাছের ডাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত জোসনা বিশ্বাস উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চর বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত নবীন বিশ্বাসের স্ত্রী। থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে জোসনা বিশ্বাস বাড়ি থেকে হাঁটার উদ্দেশ্যে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ৩০ এপ্রিল সদরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শুক্রবার (১ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ির পাশের একটি বাগানে পাখি বিশ্বাস (৮) ও মরিয়ম আক্তার (১০) নামে দুই শিশু গাব (বুন ফল) পাড়তে গিয়ে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ দেখতে পায়। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। মরদেহটি উদ্ধারের পর শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন থাকায় ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সদরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আফজাল জানান, মরদেহের বাম উরু ও ডান পায়ের আঙুলে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। এসব আঘাতের চিহ্ন কীভাবে হয়েছে তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। শনিবার (২ মে) নিহতের মেয়ে সাধনা বিশ্বাস (২২) অভিযোগ করে বলেন, আমার মায়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি জানান, নিখোঁজ হওয়ার সময় জোসনা বিশ্বাসের কাছে প্রায় ৬ থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার ছিল। এই অলঙ্করগুলো বাবা বিদেশে থেকে পাঠিয়েছিলেন। কয়েক মাস আগে বাড়িতে চুরির ঘটনার পর তিনি অলংকারগুলো একটি ছোট ব্যাগে নিজের কাছেই রাখতেন। পরিবারের দাবি, নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেলে তিনি সদরপুর বাজারের একটি জুয়েলার্সে গিয়েছিলেন। তার কাছে পাওনা টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিল।  এ বিষয়ে শক্তি জুয়েলার্সের মালিক সন্তোষ কুমার চক্রবর্তী জানান, ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে জোসনা বিশ্বাস আমার দোকানে এসেছিলেন। কিছুক্ষণ কথা বলে পান খেয়ে চলে যান। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ্ জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow