গাজাগামী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার বহর আটকে দিলো ইসরায়েল
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার একটি বহর আটকে দিয়েছে ইসরায়েলি নৌবহর। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার দেওয়া বিবৃতি অনুসারে, বুধবার রাতে গাজাগামী একটি নৌবহরের অংশ হিসেবে থাকা ২০টির বেশি জাহাজ এবং প্রায় ১৭৫ জন কর্মীকে ইসরায়েলি নৌবাহিনী আটক করেছে। খবর জেরুজালেম পোস্ট। নৌবহরটি আটক করার সময় অবশিষ্ট কয়েকটি জাহাজের ইঞ্জিন এবং নেভিগেশন সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, ঝড়ের পথে আটকে পড়া তাদের জাহাজগুলোকে অচল করে দেওয়ার জন্যই এই প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌবহরটি গাজা থেকে আনুমানিক ৬০০ নটিক্যাল মাইল (১,১১১ কিমি) দূরে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ১২ এপ্রিল স্পেনের বার্সেলোনা থেকে ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করে সর্ববৃহৎ এই নৌ-বহর। তুরস্কের নেতৃত্বে এবারের মিশনে গাজাবাসির কাছে সহায়তা পৌছে দেওয়ার ব্যাপারে নিজেদের দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে। গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা গাজায় ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙা, মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং সেখানে চলমান পরিস্থিতির প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার একটি বহর আটকে দিয়েছে ইসরায়েলি নৌবহর। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার দেওয়া বিবৃতি অনুসারে, বুধবার রাতে গাজাগামী একটি নৌবহরের অংশ হিসেবে থাকা ২০টির বেশি জাহাজ এবং প্রায় ১৭৫ জন কর্মীকে ইসরায়েলি নৌবাহিনী আটক করেছে। খবর জেরুজালেম পোস্ট।
নৌবহরটি আটক করার সময় অবশিষ্ট কয়েকটি জাহাজের ইঞ্জিন এবং নেভিগেশন সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, ঝড়ের পথে আটকে পড়া তাদের জাহাজগুলোকে অচল করে দেওয়ার জন্যই এই প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নৌবহরটি গাজা থেকে আনুমানিক ৬০০ নটিক্যাল মাইল (১,১১১ কিমি) দূরে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ১২ এপ্রিল স্পেনের বার্সেলোনা থেকে ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করে সর্ববৃহৎ এই নৌ-বহর। তুরস্কের নেতৃত্বে এবারের মিশনে গাজাবাসির কাছে সহায়তা পৌছে দেওয়ার ব্যাপারে নিজেদের দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা গাজায় ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙা, মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং সেখানে চলমান পরিস্থিতির প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে।
২০২৫ সালে বিভিন্ন দেশের এনজিও প্রতিনিধি, কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের উদ্যোগে এটি গঠিত হয়। বর্তমানে এটি গাজার উদ্দেশে দ্বিতীয় মিশন শুরু করে।
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার তথ্যমতে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভেঙে সেখানে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনিদের মানবিক সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করা।
টিটিএন
What's Your Reaction?