গুলিস্তানে আবাসিক হোটেল থেকে সৌদি প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার, তরুণী আটক
রাজধানীর গুলিস্তানে এক আবাসিক হোটেল থেকে আল আমিন (৪০) নামের এক সৌদি প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এক তরুণীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে। আরও পড়ুন ধানমন্ডিতে বহুতল ভবন থেকে পড়ে গৃহপরিচারিকার রহস্যজনক মৃত্যু ওই হোটেলের হোটেল বয় হানিফ বলেন, আজ সকালে গুলিস্তানের রমনা ভবনের হোটেল রমনা আবাসিকের নয়তলার এক কক্ষ ভাড়া নেন আল আমিন। এসময় তার সঙ্গে এক তরুণী ছিলেন। সৌদি আরব থাকা অবস্থায় ওই তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয় বলে জানা গেছে। আটক ওই তরুণীর দাবি, আল আমিন ওয়াশরুমে যাওয়ার পর হঠাৎ পড়ে যাবার শব্দ শুনতে পান। পরে গিয়ে দেখেন ওয়াশরুমের দরজা খোলা এবং আল আমিন মেঝেতে পড়ে আছে। এসময় তার চিৎকারে হোটেলের বয় হানিফসহ কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসে এবং তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন মোবাইল নিয়ে পালানোর সময় হাতেনাতে ছিনতাইকারী ধরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক মো
রাজধানীর গুলিস্তানে এক আবাসিক হোটেল থেকে আল আমিন (৪০) নামের এক সৌদি প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এক তরুণীকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে।
ওই হোটেলের হোটেল বয় হানিফ বলেন, আজ সকালে গুলিস্তানের রমনা ভবনের হোটেল রমনা আবাসিকের নয়তলার এক কক্ষ ভাড়া নেন আল আমিন। এসময় তার সঙ্গে এক তরুণী ছিলেন। সৌদি আরব থাকা অবস্থায় ওই তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয় হয় বলে জানা গেছে।
আটক ওই তরুণীর দাবি, আল আমিন ওয়াশরুমে যাওয়ার পর হঠাৎ পড়ে যাবার শব্দ শুনতে পান। পরে গিয়ে দেখেন ওয়াশরুমের দরজা খোলা এবং আল আমিন মেঝেতে পড়ে আছে। এসময় তার চিৎকারে হোটেলের বয় হানিফসহ কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসে এবং তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আল আমিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক বলেন, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই তরুণীকে আটক করে পল্টন থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
কাজী আল-আমিন/কেএসআর
What's Your Reaction?

