গোসলে নেমে ৩ বন্ধুর তর্ক, একজনকে চুবিয়ে হত্যা
গাইবান্ধায় একসঙ্গে তিন বন্ধু দিঘিতে গোসল করতে নেমে কথা কাটাকাটির জেরে একজনকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বন্ধু পলাতক রয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণ সিংহা গ্রামের হাওয়াই দিঘির মোড় নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে। নিহত রাহত (১৫) হরিণসিংহা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। স্থানীয়রা তাকে গাটু নামে চেনেন। এদিকে অভিযুক্ত দুই কিশোরের মধ্যে সাকিব একই এলাকার জবান আলীর ছেলে ও রিফাত সাইদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে উত্তর হরিণ সিংহা গ্রামের বিশাল আকারের হাওয়াই দিঘিতে গোসল করতে নামে সাকিব, রিফাত ও রাহাত নামের স্থানীয় তিন কিশোর। গোসলে নেমে তাদের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাত দুইজন মিলে রাহাতকে পানিতে চুবাতে থাকে। এতে করে রাহাতের মৃত্যু হয়। পরে অভিযুক্ত দুই কিশোর পালিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা জীবিত ভেবে রাহাতকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্থানীয়দের খবরে নিহতের বাড়িতে পুলিশ গেলে নিহতের পরিবার তাদের সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে মে
গাইবান্ধায় একসঙ্গে তিন বন্ধু দিঘিতে গোসল করতে নেমে কথা কাটাকাটির জেরে একজনকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই বন্ধু পলাতক রয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণ সিংহা গ্রামের হাওয়াই দিঘির মোড় নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রাহত (১৫) হরিণসিংহা গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। স্থানীয়রা তাকে গাটু নামে চেনেন। এদিকে অভিযুক্ত দুই কিশোরের মধ্যে সাকিব একই এলাকার জবান আলীর ছেলে ও রিফাত সাইদুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে উত্তর হরিণ সিংহা গ্রামের বিশাল আকারের হাওয়াই দিঘিতে গোসল করতে নামে সাকিব, রিফাত ও রাহাত নামের স্থানীয় তিন কিশোর। গোসলে নেমে তাদের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাত দুইজন মিলে রাহাতকে পানিতে চুবাতে থাকে। এতে করে রাহাতের মৃত্যু হয়। পরে অভিযুক্ত দুই কিশোর পালিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা জীবিত ভেবে রাহাতকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্থানীয়দের খবরে নিহতের বাড়িতে পুলিশ গেলে নিহতের পরিবার তাদের সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মফিজুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ দেখি লাশটি ভাসতেছিল। তারপর চিল্লাচিল্লি করে মানুষকে ডাকলে সবাই এসে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে শুনি সে আগেই মারা গেছে। এটি আসলে হত্যা। শুনলাম, তার বন্ধুদের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে নেমে তর্ক হয় তার। তর্কের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে। আমরা দ্রুত সঠিক তদন্ত ও হত্যাকারীদের আইনের মাধ্যমে গ্রেপ্তারসহ শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাত সাড়ে দশটার দিকে ঘটনাস্থলে থাকা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন কালবেলাকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য থানায় আনা হয়েছে। বুধবার সকালে গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবার এখনো থানায় কোনো অভিযোগ করেনি।
What's Your Reaction?