গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন বিদেশি প্রকৌশলীরা

দেশের একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এতে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহক গ্যাস সংকটে পড়েছেন। আরও পড়ুন মিটমিট করে জ্বলছে চুলা, গ্যাস সংকটে রান্না বন্ধ এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মেরামতের কাজ ঠিক কবে নাগাদ শেষ হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, এটি ঠিক করতে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকৌশলীরা এসে কাজ শুরু করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের এলএনজি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আরও পড়ুন বঙ্গোপসাগরে ভাসমান গ্যাস স্টোরেজে ত্রুটি সমাধানে কাজ করছে কারিগরি টিম তিনি বলেন, এফএসআরইউ কবে নাগাদ ঠিক হবে সেটি এখনো বলতে পারছি না। বিদেশি প্রকৌশলীরা এসেছেন, তারা কাজ করছেন। আগামীকাল প্রেস ব্রিফিং

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন বিদেশি প্রকৌশলীরা

দেশের একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।

এতে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহক গ্যাস সংকটে পড়েছেন।

এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মেরামতের কাজ ঠিক কবে নাগাদ শেষ হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, এটি ঠিক করতে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকৌশলীরা এসে কাজ শুরু করেছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের এলএনজি বিভাগের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এফএসআরইউ কবে নাগাদ ঠিক হবে সেটি এখনো বলতে পারছি না। বিদেশি প্রকৌশলীরা এসেছেন, তারা কাজ করছেন। আগামীকাল প্রেস ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানানো হতে পারে। এই মুহূর্তে ঠিকঠাক করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

এদিকে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকরা। অনেক এলাকায় চুলায় গ্যাসের চাপ একেবারেই কমে গেছে। কোথাও কোথাও চুলা মিটমিট করে জ্বলছে, তবে রান্না করা যাচ্ছে না। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

এনএস/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow