ঘুম ভাঙল শিশুর কান্নায়, ঘরে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সাদিয়া আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভোরে উপজেলার ঘোড়াঘাট ইউনিয়নের তোশাই জোড়গাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাদিয়া ওই এলাকার ভ্যানচালক হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। এই দম্পতির দেড় বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মফিদুল ইসলাম ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বুধবার রাতেও পরিবারের অন্য সদস্যদের পরম যত্নে হাতে মেহেদি পরিয়ে দেন গৃহবধূ সাদিয়া। প্রায় তিন বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে হাবিবুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। হাবিবুর পেশায় একজন ভ্যানচালক। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও তিনি কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন। তবে রাতে বাড়ি ফিরতে কিছুটা দেরি হওয়ায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তারা নিজেদের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পরিবারের দাবি, রাতের কোনো এক সময় দেড় বছরের শিশুসন্তানের কান্না শুনে হঠাৎ হাবিবুর রহমানের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় তিনি দেখতে পান, ঘরের আড়ার (ধরনা) সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় সাদিয়ার মরদেহ ঝুলছে। পরবর্তীতে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সাদিয়াকে উদ্ধার করে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সাদিয়া আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ভোরে উপজেলার ঘোড়াঘাট ইউনিয়নের তোশাই জোড়গাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদিয়া ওই এলাকার ভ্যানচালক হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। এই দম্পতির দেড় বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মফিদুল ইসলাম ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বুধবার রাতেও পরিবারের অন্য সদস্যদের পরম যত্নে হাতে মেহেদি পরিয়ে দেন গৃহবধূ সাদিয়া। প্রায় তিন বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে হাবিবুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। হাবিবুর পেশায় একজন ভ্যানচালক। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতেও তিনি কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন। তবে রাতে বাড়ি ফিরতে কিছুটা দেরি হওয়ায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তারা নিজেদের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন।
পরিবারের দাবি, রাতের কোনো এক সময় দেড় বছরের শিশুসন্তানের কান্না শুনে হঠাৎ হাবিবুর রহমানের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় তিনি দেখতে পান, ঘরের আড়ার (ধরনা) সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় সাদিয়ার মরদেহ ঝুলছে। পরবর্তীতে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সাদিয়াকে উদ্ধার করে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।
What's Your Reaction?