ঘেরে মিলল মালিকের মরদেহ, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা
কক্সবাজারের চকরিয়ায় মৎস্য ঘের দখলকে কেন্দ্র করে মনজুর আলম কালু (৫৫) নামের এক ঘের মালিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোররাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট বড় ডুমখালী ঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনজুর আলম ওই এলাকার মৃত জাফর আলমের ছেলে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বড় ডুমখালী ঘোনা এলাকার একটি মৎস্য ঘেরের মালিকানা নিয়ে মনজুর আলমের সঙ্গে একটি প্রভাবশালী চক্রের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। শুক্রবার গভীর রাতে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ঘেরটি দখলে নিতে অতর্কিত হামলা চালায়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের উপস্থিতি টের পেয়ে কর্মরত কর্মচারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও মালিক মনজুর আলম আটকা পড়েন। দুর্বৃত্তরা তাকে ধরে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে দাবি করছেন স্বজনরা। স্থানীয়দের ধারণা, ঘেরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গভীর রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈর
কক্সবাজারের চকরিয়ায় মৎস্য ঘের দখলকে কেন্দ্র করে মনজুর আলম কালু (৫৫) নামের এক ঘের মালিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোররাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট বড় ডুমখালী ঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মনজুর আলম ওই এলাকার মৃত জাফর আলমের ছেলে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বড় ডুমখালী ঘোনা এলাকার একটি মৎস্য ঘেরের মালিকানা নিয়ে মনজুর আলমের সঙ্গে একটি প্রভাবশালী চক্রের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। শুক্রবার গভীর রাতে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ঘেরটি দখলে নিতে অতর্কিত হামলা চালায়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের উপস্থিতি টের পেয়ে কর্মরত কর্মচারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও মালিক মনজুর আলম আটকা পড়েন। দুর্বৃত্তরা তাকে ধরে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে দাবি করছেন স্বজনরা।
স্থানীয়দের ধারণা, ঘেরের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গভীর রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মরদেহের শরীরে কোনো দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তাই ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। মরদেহ বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?