কালবেলার সাংবাদিককে হত্যার হুমকি
সন্দ্বীপে একটি ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হত্যার হুমকির শিকার হয়েছেন দৈনিক কালবেলার সন্দ্বীপ প্রতিনিধি সাংবাদিক মাহমুদ মান্না। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার হারামিয়া ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের ওষুধ সরবরাহে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাবেক উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সহকারী জহির তাকে গলা কেটে হত্যার হুমকি দেন। এ সময় জহির নিজেকে বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে সাংবাদিককে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে। ওই সময় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, স্টোররুম থেকে এক অটোরিকশা চালক ওষুধ নিয়ে গাড়িতে তুলছেন। তবে স্টোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী এবং অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কামরুল আহসান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তখনও অফিসে উপস্থিত হননি। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কামরুল আহসান নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থেকে নিজের ইচ্ছামতো আসা-যাওয়া করেন। অটোরিকশা চালক জানান, কামরুল তাকে ফোন করে স্টোরের চাবি উপরে রাখা আছে বল
সন্দ্বীপে একটি ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হত্যার হুমকির শিকার হয়েছেন দৈনিক কালবেলার সন্দ্বীপ প্রতিনিধি সাংবাদিক মাহমুদ মান্না।
অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার হারামিয়া ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের ওষুধ সরবরাহে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাবেক উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ব্যক্তিগত সহকারী জহির তাকে গলা কেটে হত্যার হুমকি দেন। এ সময় জহির নিজেকে বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে সাংবাদিককে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটে। ওই সময় হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, স্টোররুম থেকে এক অটোরিকশা চালক ওষুধ নিয়ে গাড়িতে তুলছেন। তবে স্টোরের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী এবং অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কামরুল আহসান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তখনও অফিসে উপস্থিত হননি।
পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কামরুল আহসান নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থেকে নিজের ইচ্ছামতো আসা-যাওয়া করেন। অটোরিকশা চালক জানান, কামরুল তাকে ফোন করে স্টোরের চাবি উপরে রাখা আছে বলে জানিয়ে সেখান থেকে চাবি নিয়ে ওষুধগুলো বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকে পৌঁছে দিতে বলেন। অথচ ওষুধ হস্তান্তরের সময় সেখানে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয় এবং ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে।
এ বিষয়ে সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন ঠাকুর বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মানস বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জনও জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?