চকবৈদ্যনাথে আড়তে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার আড়ত নাটোরের চকবৈদ্যনাথে। ছোট-বড় মিলিয়ে দুই শতাধিক আড়তে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিবছরের মতো এবারও উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৩০-৪০ জেলা থেকে এ আড়তে বিপুল চামড়া আমদানি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকার এবার চামড়া সংরক্ষণে লবণের ঘাটতি মেটাতে সারাদেশে ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার লবণ বিনামূল্যে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এবার ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গ ফুট গরুর চামড়া ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, খাসির ২২ থেকে ২৭ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকা। তবে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া বেচাকেনা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে ব্যবসায়ীদের মাঝে। আড়তদাররা বলছেন, কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে অনেক খরচ পড়ে যায়। প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া সংরক্ষণেও প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ টাকা খরচ পড়ে। এছাড়া বাজারে লবণের দামও বেশি। নাটোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক হালিম সিদ্দিকী বলেন, নাটোরের ব্যবসায়িরা ট্যানারি মালিকদের কাছে প্রায় ৬০ কোটি টাকার মতো পাওনা রয়েছে। ঈদের আগে এ টাকা না পেলে আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা সংকটে পড়বে। তবে নাটোরের ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন উৎস থেকে

চকবৈদ্যনাথে আড়তে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার আড়ত নাটোরের চকবৈদ্যনাথে। ছোট-বড় মিলিয়ে দুই শতাধিক আড়তে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রতিবছরের মতো এবারও উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৩০-৪০ জেলা থেকে এ আড়তে বিপুল চামড়া আমদানি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকার এবার চামড়া সংরক্ষণে লবণের ঘাটতি মেটাতে সারাদেশে ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার লবণ বিনামূল্যে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

এবার ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গ ফুট গরুর চামড়া ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, খাসির ২২ থেকে ২৭ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ থেকে ২২ টাকা। তবে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া বেচাকেনা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে ব্যবসায়ীদের মাঝে।

আড়তদাররা বলছেন, কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে অনেক খরচ পড়ে যায়। প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া সংরক্ষণেও প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ টাকা খরচ পড়ে। এছাড়া বাজারে লবণের দামও বেশি।

চকবৈদ্যনাথে আড়তে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

নাটোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক হালিম সিদ্দিকী বলেন, নাটোরের ব্যবসায়িরা ট্যানারি মালিকদের কাছে প্রায় ৬০ কোটি টাকার মতো পাওনা রয়েছে। ঈদের আগে এ টাকা না পেলে আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা সংকটে পড়বে। তবে নাটোরের ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন উৎস থেকে টাকার ব্যবস্থা করেছেন।

তিনি বলেন, গত বছর ১০ থেকে ১২ লাখ চামড়া কেনা বেচা হয়েছে। এবারে ব্যবস্থাপনা ভালো হওয়ায় আরও বেশি আসবে বলে প্রত্যাশা কথা জানান তিনি।

নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন বলেন, চকবৈদ্যনাথ আড়তে চামড়া সংগ্রহ, পরিবহন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা হয়েছে। চামড়া বাজার নজরদারিতে প্রশাসন মাঠে থাকবে।

রেজাউল করিম রেজা/এএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow