চট্টগ্রামের উন্নয়নে নোমানের অবদান চিরস্মরণীয় : ডা. শাহাদাত
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আবদুল্লাহ আল নোমান বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো ও শিক্ষাক্ষেত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাদ জুমা নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্সে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে নোমানের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়নে তাঁর উদ্যোগ অনস্বীকার্য।
মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।
দোয়া মাহফিলে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত এবং তারেক রহমানস
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, আবদুল্লাহ আল নোমান বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়। চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্য, অবকাঠামো ও শিক্ষাক্ষেত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাদ জুমা নগরীর জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্সে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে নোমানের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়নে তাঁর উদ্যোগ অনস্বীকার্য।
মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।
দোয়া মাহফিলে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত এবং তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।