চট্টগ্রামে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ইলমা এবং বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস)-এর উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও সিএসও নেটওয়ার্কের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এবং মঙ্গলবার (৩০ জুন) টাইগারপাস এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের অংশগ্রহণে পৃথকভাবে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। সভায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ এবং সর্বস্তরে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ইলমার প্রধান নির্বাহী জেসমিন সুলতানা পারুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন-জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আতিয়া চৌধূরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন- পোস্তারপাড় আছমা খাতুন সিটি কর্পোরেশন মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শামসাদ চৌধূরী এবং এসডিএসর প্রধান নির্বাহী ফেরদৌসি বেগম মৌসূমী। সভা পরিচালনা করেন ইলমার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ইয়াসমিন আক্তার। মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় পর্যায়ে নারী নেতৃত্বের বিকাশ, যুবসমাজকে সম্পৃক্তকরণ, শান্তি প্রতিষ্ঠায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ, নারী নির্যাতনবিরোধী আইন ও ডিজিটাল সেবার ক
ইলমা এবং বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস)-এর উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও সিএসও নেটওয়ার্কের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এবং মঙ্গলবার (৩০ জুন) টাইগারপাস এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের অংশগ্রহণে পৃথকভাবে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
সভায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ এবং সর্বস্তরে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ইলমার প্রধান নির্বাহী জেসমিন সুলতানা পারুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন-জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আতিয়া চৌধূরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন- পোস্তারপাড় আছমা খাতুন সিটি কর্পোরেশন মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শামসাদ চৌধূরী এবং এসডিএসর প্রধান নির্বাহী ফেরদৌসি বেগম মৌসূমী। সভা পরিচালনা করেন ইলমার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ইয়াসমিন আক্তার।
মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় পর্যায়ে নারী নেতৃত্বের বিকাশ, যুবসমাজকে সম্পৃক্তকরণ, শান্তি প্রতিষ্ঠায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ, নারী নির্যাতনবিরোধী আইন ও ডিজিটাল সেবার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা, নারী শিক্ষার হার বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রথা প্রতিরোধ, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নারী নেত্রী ও মানবাধিকারকর্মী জেসমিন সুলতানা পারু বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে জীবনের অধিকাংশ সময় নারীদের পাশে থেকে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছি। আমি বিশ্বাস করি, নীরবতা নয়- সবার সম্মিলিত প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মাধ্যমেই নারীর প্রতি সকল ধরনের সহিংসতা ও নির্যাতনমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
What's Your Reaction?