চট্টগ্রামে ফের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
চট্টগ্রাম মহানগরীতে আবারও ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার (৩ জুন) সকালে নগরীর অনন্যা আবাসিক এলাকা-সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে এ মিছিলের ঘটনা ঘটে। মিছিলের দুটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মিছিলটি অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের কুয়াইশ এলাকা থেকে অনন্যা আবাসিক এলাকার দিকে অগ্রসর হয়। পরে আন্দোলনকারীরা স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের এক সহসভাপতির নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনন্যা আবাসিক এলাকাটি মূলত মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী ও চান্দগাঁও থানা এবং জেলার হাটহাজারী মডেল থানার সীমানায় অবস্থিত। তবে মিছিলের মূল স্থানটি হাটহাজারী থানার আওতাধীন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, মিছিলের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গত সোমবার সকালে চট্টগ্রামের ব্যস্ততম জিইসি মোড় এলাকায় একইভাবে আকস্মিক মিছিল করেছিল সংগঠনটি। ওই ঘটনার
চট্টগ্রাম মহানগরীতে আবারও ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার (৩ জুন) সকালে নগরীর অনন্যা আবাসিক এলাকা-সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে এ মিছিলের ঘটনা ঘটে। মিছিলের দুটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মিছিলটি অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের কুয়াইশ এলাকা থেকে অনন্যা আবাসিক এলাকার দিকে অগ্রসর হয়। পরে আন্দোলনকারীরা স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের এক সহসভাপতির নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনন্যা আবাসিক এলাকাটি মূলত মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী ও চান্দগাঁও থানা এবং জেলার হাটহাজারী মডেল থানার সীমানায় অবস্থিত। তবে মিছিলের মূল স্থানটি হাটহাজারী থানার আওতাধীন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, মিছিলের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গত সোমবার সকালে চট্টগ্রামের ব্যস্ততম জিইসি মোড় এলাকায় একইভাবে আকস্মিক মিছিল করেছিল সংগঠনটি। ওই ঘটনার পর নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।